‘মিরপুরের উইকেটকে খারাপ বলতে পারব না’

‘মিরপুরের উইকেটকে খারাপ বলতে পারব না’

তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচে উইন্ডিজকে ৩৫ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এই জয় দিয়ে সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরল স্বাগতিকরা। এদিন টাইগার বোলারদের সামনে টিকতে পারেনি সফরকারী ব্যাটসম্যানরা। তার শিকার ২১ রানে ৫ উইকেট।

সবসময় মিরপুরের উইকেটের অনিশ্চয়তা সম্পর্কে একটা চাপা অভিযোগ থাকলেও এবারের শেরেবাংলার উইকেট নিয়ে সাকিবের কোনো অভিযোগ নেই। কেন নেই? তার ব্যাখ্যাও আছে।

ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাকিব আল হাসান বলেন, মিরপুরের উইকেট আমি মনে করি সময় পেলে বেশ ভালোই প্রস্তুত করার সুযোগ আসে। আমি মিরপুরের উইকেটকে খারাপ বলতে পারব না। কারণ আমার ক্যারিয়ারের অর্ধেকই এখানে। বোলিং ব্যাটিংয়ের অনেক সাফল্যই এখানে। আমার কাছে মিরপুরের উইকেটই ভালো।

যত আনপ্রেডিক্টেবল আর রহস্যময়ই বলা হোক না কেন, সাকিবের ধারণা শেরেবাংলাই টাইগারদের সবচেয়ে লাকি ভেন্যু। টিম বাংলাদেশের সাফল্যের সেরা ভেন্যু।

আজ ম্যাচ শুরুর আগে টিম মিটিংয়ে সহযোগীদের উজ্জীবিত ও অনুপ্রাণিত করতে গিয়েও সাকিব বলেন, আমি আজ ম্যাচ শুরুর আগে বলেছি এই কন্ডিশনটা ওদের (ক্যারিবীয়দের) থেকে আমাদের বেশি ফেভারেবল হওয়া উচিত। আমরা এখানে সবসময় ম্যাচ খেলি। আমাদের প্রতিটা প্লেয়ার ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক মিলিয়ে শেরেবাংলায় অসংখ্য ম্যাচ খেলেছে। আমাদের জন্য এই মাঠ অনেক পরিচিত। সেই হিসেবে সিলেট অত পরিচিত না, আমরা খুব কম ম্যাচ খেলেছি, হয়তো যারা ওই রকম বেশি ডোমেস্টিক খেলে না তাদের জন্য নতুন কন্ডিশন বলবো সিলেটকে। সেইদিক থেকে মিরপুর আমাদের জন্য অনেক পরিচিত। এছাড়া দর্শক ও সমর্থকদের সাপোর্টটা খুব ইম্পরট্যান্ট থাকে মিরপুরে। শেরেবাংলার দর্শকদের উৎসাহ-উদ্দীপনা দলকে ভালো খেলতে একটু বেশি উদ্দীপ্ত করে। নেক্সট ম্যাচের আগে। আমার কাছে মনে হয় এটাও অনেক পজেটিভ একটা দিক।

ব্যাট-বল উভয়দিকেই দিনের সেরা পারফরমার, মিলেছে ম্যাচ সেরার স্বীকৃতিও। কেমন লাগছে এমন ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্স করতে পেরে? এ প্রশ্নের জবাবে নিজের কৃতিত্বের কথা বলার আগে বারবার ব্যাটসম্যানদের বিশেষ করে মাহমুতউল্লাহ রিয়াদ, লিটন দাস ও সৌম্য সরকারের প্রশংসা সাকিবের মুখে।

ব্যাটসম্যানদের মধ্যে লিটন ও সৌম্যর প্রশংসা করলেও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ভূমিকাকে একটু বেশিই মূল্য দিতে চান সাকিব। তার ব্যাখ্যা, দারুণ শুরুর পরেও মাঝে দুই উইকেট পড়ে যাওয়ায় খানিক বিচলিত হয়ে পড়েছিলাম। একটু চিন্তা এসে বাসা বেঁধেছিল। কিন্তু রিয়াদ ভাই উইকেটে এসে চটজলদি সেট হয়ে রান গতি বাড়িয়ে ফেলায় চাপ কমে যায়।

ব্যাটসম্যানদের অ্যাপ্রোচ ও সামর্থ্যের প্রয়োগের প্রশংসা করে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, আমাদের ব্যাটসম্যানরা আগের ম্যাচ থেকে শিক্ষা নিয়েছে। সিলেটে করা ভুলের পুনরাবৃত্তি না ঘটিয়ে সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে ব্যাট করেছে সবাই।

মতামত দিন