সুরের পাখি বুলবুলের কালজয়ী গান

সদ্য প্রয়াত সুরের পাখি আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল অসংখ্য গানের সুর করেছিলেন। বেশকিছু গান জনপ্রিয় হয়েছে, যা যুগের পর যুগ শ্রোতারা হৃদয়ে গেঁথে আছে। সেসকল গানের একটি তালিকা নিচে দেয়া হলো:

‘সব কটা জানালা খুলে দাও না’, ‘ও আমার আট কোটি ফুল দেখ গো মালি’, ‘মাগো আর তোমাকে ঘুম পাড়ানি মাসি হতে দেব না’, ‘একতারা লাগেনা আমার দোতারাও লাগে না’, ‘আমার সারাদেহ খেয়ো গো মাটি’, ‘আমার বুকের মধ্যেখানে’, ‘মাঝি নাও ছাইড়া দে ও মাঝি পাল উড়াইয়া দে’, ‘সেই রেল লাইনের ধারে’, ‘সুন্দর সুবর্ণ তারুণ্য লাবণ্য’, ‘আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন’, ‘আমি তোমারি প্রেমও ভিখারি’।

‘ও আমার মন কান্দে ও আমার প্রাণ কান্দে’, ‘আইলো দারুণ ফাগুনরে’, ‘আমার একদিকে পৃথিবী একদিকে ভালোবাসা’, ‘আমি তোমার দুটি চোখে দুটি তারা হয়ে থাকবো’, ‘আমার গরুর গাড়িতে বৌ সাজিয়ে’, ‘পৃথিবীর যত সুখ আমি তোমারই ছোঁয়াতে যেন পেয়েছি’, ‘তোমায় দেখলে মনে হয়, ‘হাজার বছর আগেও বুঝি ছিল পরিচয়’, ‘বিদ্যালয় মোদের বিদ্যালয় এখানে সভ্যতারই ফুল ফোটানো হয়’, ‘আমায় অনেক বড় ডিগ্রি দিসে’, ‘এই জগৎ সংসারে তুমি এমনই একজন’, ‘জীবন ফুরিয়ে যাবে ভালবাসা ফুরাবে না জীবনে’, ‘পৃথিবীতো দু দিনেরই বাসা, দু দিনেই ভাঙে খেলাঘর’, ‘অনেক সাধনার পরে আমি পেলাম তোমার মন’, ‘ওগো সাথি আমার তুমি কেন চলে যাও’।

আর‌ো আছে ‘তুমি সুতোয় বেঁধেছ শাপলার ফুল নাকি তোমার মন’, ‘একদিন দুইদিন তিনদিন পর, তোমারি ঘর হবে আমারি ঘর’, ‘গানে গানে চেনা হল’, ‘কী কথা যে লিখি, কি নামে যে ডাকি’, ‘ঐ চাঁদ মুখে যেন লাগে না গ্রহণ’, ‘কত মানুষ ভবের বাজারে’, ‘তুই ছাড়া কে আছে আমার জগৎ সংসারে’, ‘বাজারে যাচাই করে দেখিনি তো দাম, ‘আম্মাজান আম্মাজান’, ‘স্বামী আর স্ত্রী বানায় যে জন মিস্ত্রি’, ‘আমার জানের জান আমার আব্বাজান’, ‘ঈশ্বর আল্লাহ বিধাতা জানে’, ‘এই বুকে বইছে যমুনা’, ‘সাগরের মতই গভীর, আকাশের মতই অসীম’, ‘তুমি হাজার ফুলের মাঝে একটি গোলাপ’, ‘জীবনে বসন্ত এসেছে, ফুলে ফুলে ভরে গেছে মন’, ‘ঘুমিয়ে থাকো গো স্বজনী’, ‘আমার হৃদয় একটা আয়না’, ‘বিধি তুমি বলে দাও আমি কার’, ‘এই তুমি সেই তুমি যাকে আমি চাই’, ‘তুমি মোর জীবনের ভাবনা’, ‘হৃদয়ে সুখের দোলা’, ‘তুমি আমার এমনই একজন, যারে এক জনমে ভালবেসে ভরবে না এ মন’।

সুরস্রষ্টার আরো কিছু গান, ‘উত্তরে ভয়ঙ্কর জঙ্গল দক্ষিণে না যাওয়াই মঙ্গল’, ‘কোন ডালে পাখিরে তুই বাঁধবি আবার বাসা’, ‘একাত্তরের মা জননী কোথায় তোমার মুক্তিসেনার দল’, ‘আমি জীবন্ত একটা লাশ’, ‘প্রেম কখনো মধুর, কখনো সে বেদনা বিধুর’, ‘চোখের ভেতর কল বসাইছে’, ‘আমার জীবন নায়ে বন্ধু তুমি প্রাণের মাঝি’, ‘নদী চায় চলতে, তারা যায় জ্বলতে’, ‘খেলা হলো শুরু ভাই, খেলছেন গুরুভাই’, ‘আকাশটা নীল মেঘগুলো সাদা সাদা’, ‘ও ডাক্তার,ও ডাক্তার’, ‘আমার তুমি ছাড়া কেউ নেই আর’, ‘তুমি কত লিটার দুধ করেছ পান’, ‘আপামর জনতার ধারণা’, ‘যোজন যোজন দূর’, ‘শেষ ঠিকানায় পৌঁছে দিয়ে আবার কেন পিছু ডাকো’।

‘চিঠি লিখেছে বউ আমার’, ‘চতুর্দোলায় ঘুমিয়ে আমি ঘুমন্ত এক শিশু’, ‘আট আনার জীবন’, ‘বুকটা আমার ভাঙ্গা বাড়ি’, ‘আম্মা ভিক্ষা দেন নইলে ভিক্ষা নেন’, ‘মাগো আর নয় চুপি চুপি আসা’, ‘সালাম বাংলাদেশ’, ‘জাগো বাংলাদেশ জাগো’, ‘জীর্ণ দেহের এক বৃদ্ধা নারী’, ‘I am a war child’, ‘পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা’, ‘আমার দুই চোখে দুই নদী’, ‘আমি জায়গা কিনবো।’, ‘আমার সুখেরও কলসি ভাইঙ্গা গেসে লাগবে না আর জোড়া’, ‘পৃথিবীর জন্ম যেদিন থেকে, তোমার আমার প্রেম সেদিন থেকে’, ‘পড়ে না চখের পলক’, ‘যে প্রেম স্বর্গ থেকে এসে’, ‘কী আমার পরিচয়, ঠিকানা কী জানি না’, ‘অনন্ত প্রেম তুমি দাও আমাকে’, ‘তুমি আমার জীবন, আমি তোমার জীবন’, ‘তোমার আমার প্রেম এক জনমের নয়’, ‘নদী চায় চলতে, তারা যায় জ্বলতে’।