হুমায়ূন আহমেদের ১০টি গান

526
হুমায়ূন আহমেদ

পেইজথ্রি ডেস্ক।।

বাংলা সাহিত্যের সর্বাধিক জনপ্রিয় ও পঠিত নন্দিত লেখক, চলচ্চিত্রকার এবং নাট্যকার-নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের ৬৯তম জন্মদিন ছিল আজ (সোমবার)।আমাদের এ প্রতিবেদন তার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি। হুমায়ূন আহমেদের লেখা বিখ্যাত এ গানগুলো আপনাদের জন্য নিবেদন—

চাঁদনী পসর রাইতে যেন আমার মরণ হয়

বর্ষা, প্রকৃতি, জ্যোৎস্না— এসব ভালোবাসতেন কলম জাদুকর হুমায়ূন আহমেদ। তাই তিনি গানের মধ্য দিয়ে বিধাতার কাছে ফরিয়াদ জানিয়েছিলেন যেন জ্যোৎস্নার আলোয় মরণ হয়। সে আশা পূর্ণ হয়নি। কিন্তু তার শেষ নিবাসে এখনও জ্যোৎস্নায় ভেসে যায়। নিশ্চিত তিনি চাঁদের আলো গায়ে মেখে হেঁটে বেড়ান।

আমার ভাঙা ঘরে ভাঙা চালা ভাঙা বেড়ার ফাঁকে

ফেরদৌস, মেহের আফরোজ শাওন ও আসাদুজ্জামান নূরকে নিয়ে হুমায়ূন আহমেদ নির্মাণ করেন ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’। এ ছবিতে সাবিনা ইয়াসমিনের কণ্ঠে গাওয়া ‘আমার ভাঙা ঘরে ভাঙা চালা ভাঙা বেড়ার ফাঁকে’ গানটি এখনও মানুষের মন খারাপ করে। গানটির সুর মকসুদ জামিল মিন্টুর।

চাঁদনী পসরে

‘চন্দ্রকথা’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘চাঁদনী পসরে’। অত্যাচারী জমিদার তার বাড়িতে গানের আসর বসায়। সেখানে গান গাওয়া হয়। মাকসুদ জামিল মিন্টুর সুরে গানটি গেয়েছেন সেলিম চৌধুরী।

যদি মন কাঁদে চলে এসো এক বরষায়

বলা যায় হুমায়ূন তার প্রিয় লেখক রবীন্দ্রনাথের মতো বর্ষা নিয়ে অসংখ্য গান রচনা করে গেছেন। তেমনি একটি গান ‘যদি মন কাঁদে চলে এসো এক বরষায়’। এস আই টুটুলের সুরে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন শাওন। গানটি বহু নাটকে ব্যবহৃত হয়েছে।

বরষার প্রথম দিনে

‘বরষায় প্রথম দিনে’ গানটি প্রথমে ‘নীতু তোমাকে ভালোবাসি’ টেলিফিল্মের জন্য লিখেছিলেন হুমায়ূন। পরে তিনি ‘দুই দুয়ারি’ ছবিতে ব্যবহার করেন। দারুণ জনপ্রিয় এ গানটিতে কণ্ঠ দেন সাবিনা ইয়াসমিন। সুর করেন মকসুদ জামিল মিন্টু।

চল না বৃষ্টিতে ভিজি

এ গানটিও প্রথমে একটি টেলিফিল্মে ব্যবহৃত হয়। প্রকাশ হয় অ্যালবাম। পরবর্তীতে হুমায়ূন আহমেদের ‘কৃষ্ণপক্ষ’ উপন্যাস অবলম্বনে মেহের আফরোজ শাওনের বানানো একই নামের ছবিতে ব্যবহার করা হয়। গানটিতে কণ্ঠ দেন এস আই টুটুল ও শাওন। সুর ও সংগীতায়োজন এস আই টুটুলের।

মাথায় পরেছি সাদা ক্যাপ

এমন এক শহরে এসে পড়েছে যুবক যে শহরে তাকে কেউ-ই চেনে না। তাই গানে গানে সে তার পরিচয় খুঁজে বেরায়। ‘দুই দুয়ারি’ ছবিতে গানটি ব্যবহৃত হয়েছে। মকসুদ জামিল মিন্টুর সুরে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন আগুন।

নদীর নাম ময়ূরাক্ষী

একবার হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী শাওন রাগ করে বাপের বাড়ি চলে গিয়েছিলেন। তখন তিনি রাগ ভাঙ্গানোর জন্য গানটি লিখেছিলেন। পরবর্তীতে গানটি ‘আমার আছে জল’ ছবিতে ব্যবহার করেন। সুর ও কণ্ঠ দেন এস আই টুটুল।

 আমার উড়াল পঙ্খীরে যা যা তুই উড়াল দিয়া যা

সুবীর নন্দীর কন্ঠে গাওয়া ‘চন্দ্রকথা’ ছবি ব্যবহৃত হয়েছে। সুর করেছেন মকসুদ জামিল মিন্টু। বরাবরের মতো তিনি গতানুগতিক উপমার ধার ধারেননি গানের কথায়।

একটা ছিল সোনার কন্যা

বিয়োগান্তক সিনেমা ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’-এর গান এটি। হুমায়ূন আহমেদ নিজের উপন্যাস অবলম্বনে পরিচালনা করেছিলেন। গানটিতে সুবীর নন্দী কণ্ঠ দিয়েছিলেন। সুর করেছিলেন মকসুদ জামিল মিন্টু। ছবিটিতে অভিনয় করেছেন মাহফুজ আহমেদ, জাহিদ হাসান ও শাওন।

5 COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here