No icon

শাবনূরের অভিযোগ মিথ্যা, তার সাথে অন্য পুরুষের সম্পর্ক ছিল : অনিক

গেল কয়েকদিন ধরে আলোচনায় চিত্রনায়িকা শাবনূর। স্বামী অনিক মাহমুদ অনিককে ডিভোর্স দিয়েছেন তিনি। শাবনূরের অভিযোগ স্বামীর সঙ্গে অন্য মেয়ের সম্পর্ক আছে। শুধু তাই নয় শাবনূরকে নির্যাতনও করেছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন তার স্বামী অনিক মাহমুদ। জানিয়েছেন শাবনূর যা বলেছেন তা মিথ্যা। তিনি জানিয়েছেন তার নয় বরং শাবনূরের সাথে অন্য পুরুষের সম্পর্ক ছিল।

তিনি বললেন, আমি এতোদিন চুপ ছিলাম আমার সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে শাবনূরের ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা করে। কিন্তু এখন আর চুপ থাকতে পারলাম না। আমাকে মুখ খুলতে এক প্রকার বাধ্যই করলো। শাবনূর অনেক জনপ্রিয় একজন অভিনেত্রী সে আমার একমাত্র সন্তানের মা। তার জন্য আমি তাকে অবশ্যই সম্মান করি। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে শাবনূর যে যে অভিযোগ এনেছে।তা যদি সে প্রমাণ করতে পারে,তাহলে আমি ওপেন চ্যালেঞ্জ করে বলছি আমাকে যে শাস্তি দেওয়া হবে আমি তা মাথা পেতে নিতে রাজি আছি। আমাকে বলে আমি মাদকাসক্ত তাহলে আমি প্রয়োজনে ডোপ টেস্ট করাতে রাজি আছি।

অনিক বলেন, আমি এতোদিন যা বলেনি আজ বলবো কেন আমি শাবনূরের কাছ থেকে দূরে সরে আছি। আমি যখন জানতে পারি আমার আগে তার সাথে চিনের এক ব্যক্তির সাথে সম্পর্ক আছে এবং ২০১৭ সালে এক ব্যক্তির সাথে সে মালয়েশিয়া গিয়েছিল এবং তাঁর ইস্কাটনের বাসায় তাকে মদ্যপ অবস্থায় অন্য পুরুষের সাথে বেশ কয়েকবার আমি ধরেছি। এগুলো দেখার পর জানার পর থেকেই আমি শাবনূরের কাছ থেকে দূরে সরে আছি।

তিনি যোগ করে বলেন, সে বলে আমি নাকি আমার ছেলের ভরপোষন দেই না। কোনো বাবা তার সন্তানের জন্য দিলে তা কি প্রমাণ রাখে! আর সে কিসের ভিক্তিতে হঠাৎ করে ডিভোর্স দিচ্ছে সেটার জন্য কাবিন পেপার দেখাতে হবে। আমি যেমন আগেও আমার সন্তানের ভরপোষন দিয়ে আসছি, এখনও দিবো। এবং আমার সন্তানের সাথে আমার দেখা করার সুযোগ দিতে হবে। এটা একজন বাবার দাবী।

নোটিশ পেয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এখনো কোনো প্রকার নোটিশ পাইনি। তাহলে আমি ঠিক বুঝতে পারছিনা এটা কার ষড়যন্ত্রে হচ্ছে। প্রত্যক স্বামী স্ত্রীর মাঝেই ঝগড়া হয়,ভুল বুঝাবুঝি হয়।কিন্তু সে আমাকে তালাক দিবে এটা নিয়ে সে আগে কখনোই আমার সাথে বলেনি।

অনিক আরো বলেন, এখন সে আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ এনে আমাকে পরিবার,সমাজ সবার কাছে ছোট করে দিচ্ছে। এতে করে আমার পরিবার সকলের কাছে সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন হচ্ছে। শাবনূর যদি কোনো প্রমাণ দিতে না পারে তাহলে আমি নিজেই তাঁর বিরুদ্ধে মানহানী মামলা করবো। আমি শুধু আমার সন্তানের কথা ভেবে অনেক কিছু নিরবে সহ্য করে গিয়েছি। কিন্তু এভাবে আমি আর কোনো অন্যায় সহ্য করবো না। আমার বাবা বর্তমানে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। আমার বাবার যদি কিছু হয়ে যায়,তাহলে শাবনূরকে ছাড়বো না।

গত ২৬ জানুয়ারি স্বামী অনিককে তালাক দিয়েছেন শারমীন নাহিদ নূপুর ওরফে শাবনূর। নায়িকার সই করা নোটিশটি এডভোকেট কাওসার আহমেদের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর অনিক মাহমুদ হৃদয়ের সঙ্গে আংটি বদল করেন শাবনূর। এরপর ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর তারা বিয়ে করেন। সেই সংসারে ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর আইজান নিহান নামে এক পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। শাবনূর বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় রয়েছেন।

Comment As:

Comment (0)