গানের ভিউ ১০ কোটি অথচ আরমান পেয়েছেন ৫০ হাজার টাকা

পেইজ থ্রি ডেস্ক।।

এই সময়ে সবচেয়ে আলোচিত বাংলা গান আরমান আলিফের ‘অপরাধী’। গানটি ইতিমধ্যে শুধু ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফরম ইউটিউব থেকেই দেখেছেন ১০ কোটি ৪ লাখ মানুষ। আর তা থেকেই গানের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ঈগল মিউজিক আয় করেছে প্রায় কোটি টাকা। কিন্তু গানটির গায়ক আরমান আলিফ কত টাকা পেয়েছেন এমন প্রশ্নে আরমান আলিফ গণমাধ্যমকে জানিয়েছন তাকে দেওয়া হয়েছে মাত্র ৫০ হাজার টাকা। তবে ঈগল মিউজিকের কর্ণধার কচি আহমেদ দাবি করেছেন এক কোটি টাকা আয়ের বিষয়টি সত্য নয়।

ঈগল মিউজিকের কর্ণধার কচি আহমেদ জানিয়েছেন, আরমান আলিফকে সম্মানী বাবদ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। এটা এককালীন পরিশোধ করা হয়েছে। প্রতিটি শিল্পীর সঙ্গে ঈগল মিউজিকের এমনই চুক্তি থাকে। আর আমি জানি না কোত্থেকে কোন অ্যানালিটিকসে এই তথ্য পেয়েছে।

এদিকে আরমান জানিয়েছেন, গানটি ঈগল মিউজিকে জমা দেওয়ার সময় কোনো টাকার কথা উল্লেখ ছিল না। একজন নতুন হিসেবে আমি তাদের কাছে গিয়েছিলাম। তারা গানটি প্রকাশ করবেন বলে রাজি হয়েছিলেন। গানের চুক্তির সময় আমাকে বলা হয়েছিল আমার যখন টাকার প্রয়োজন হবে তখন চাইলে সেটা আমাকে দেওয়ার চেষ্টা করবেন তারা। তাদের আশ্বাসে একরকম ভালোবেসেই গানটি দিয়েছি এখানে। পরে দুই কিস্তিতে ৫০ হাজার টাকা আমি পেয়েছি। আর কোনো টাকা পাইনি। গান প্রকাশের চুক্তির সময়ের কথা উল্লেখ করে আরমান আলিফ বলেন, তাঁদের কথায় বোঝা যাচ্ছে গানটি আমি বিক্রি করে দিয়েছি। আসলে এতকিছু তো বুঝিনি আগে। আমি তিনটা কাগজে স্বাক্ষর করেছিলাম। ওখানে কোনো টাকার অ্যামাউন্ট লেখা ছিল না। আমি একজন নতুন শিল্পীর মতোই অত কিছু না ভেবে বিশ্বাস করে স্বাক্ষর করে দিয়েছিলাম। এটাই আমার ভুল ছিল।

এ নিয়ে ঈগল মিউজিকের কর্ণধার কচি আহমেদ বলেন, মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করতে খরচ হয়েছে আড়াই লাখ টাকা। দুটি মিউজিক ভিডিও করা হয়েছিল। প্রথমটি বাদ দিয়ে দ্বিতীয় মিউজিক ভিডিওটি নির্বাচন করা হয়। যেহেতু আমাদের সাথে সকল শিল্পীর একই ভাবে চুক্তি হয়, সেভাবেই আমি আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি নিয়ে এই গানের মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করি।

উল্লেখ্য, অপরাধী গানটি শুধু বাংলাদেশেই নয় ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও তুমুল উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে। আরমান আলিফ ঢাকার বাসিন্দা ৷ ঢাকার কমার্স কলেজের সেকেন্ড ইয়ারের ছাত্র। পড়াশোনা আর গান-বাজনা একই সঙ্গে চলছে।

 

Print Friendly, PDF & Email