পেইজ থ্রি ডেস্ক।।

এ বছর নভেম্বরেই বিয়েটা সেরে ফেলতে চান রণবীর সিংহ এবং দীপিকা পাড়ুকোন। ২০১৭ এর ডিসেম্বর মাসে গাঁট ছড়া বেঁধেছিলেন আনুষ্কা এবং বিরাট। কিছুদিন আগে সোনম কাপূর এবং আনন্দ আহুজাও চিরজীবনের সঙ্গী হলেন। একের পর এক বলি তারকাদের বিয়ের ধুম পড়েছে।

দীপিকার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু বলেছেন, ‘‘আসলে রণবীর কপূরকে এখনও ভুলতে পারেনি দীপিকা। ও এখনও ভয় পায়, যদি রণবীর সিংহের সঙ্গে সম্পর্কটারও একই পরিণতি হয়।’ শুধু তাই নয়, দীপিকার ওই ঘনিষ্ঠ জন-এও বলেছেন, ‘‘দীপিকা তো রণবীরের জন্য কেরিয়ার ছেড়ে পুরোপুরি সংসারে মন দিতেও রাজি ছিল। কিন্তু ওদের ব্রেকআপ হয়ে গেল। রণবীর সম্পর্ক ঝেড়ে ফেলে এগিয়ে গেলেও দীপিকা এখনও ভুলতে পারেনি।’ তবে দীপিকার মতে, রণবীর সিংহ দীপিকাকে সত্যিই ভালবাসেন। দীপিকাও তাই।  যদিও কাছের বন্ধু এসব মন্তব্য নিয়ে দীপিকা কোনও মন্তব্যই করেননি।

পেইজ ধ্রি ডেস্ক।।

কলকাতার সুপারস্টার জিৎ অভিনীত ও প্রযোজিত ‘সুলতান’ ছবিটি ঈদে মুক্তি পাচ্ছে। নুতন খবর হলো- ‘সুলতান’ ছবিতে গান গেয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন! সম্প্রতি কলকাতার একটি পাঁচতারা হোটেলে মুক্তি পেল সুলতানের সঙ্গীত। ঈদের দিন মুক্তি পাচ্ছে সুলতান, তাই ঈদ নিয়ে একটি গান থাকবে এটাই স্বাভাবিক। সেই গানটি গেয়েছেন অভিনেতা জিৎ নিজেই। এটাই  জিৎ ভক্তদের জন্য ঈদের উপহার।

এই ছবিতে গানের সুর দিয়েছেন সুরকার শুদ্ধ ও স্যাভি। মোট চারটি গান আছে সুলতানে। পরিচালক রাজা চন্দ’র পরিচালনায় এই ছবির তিনটি গান ইতিমধ্যে জনপ্রিয়। এখনও একটি  গান  মুক্তির অপেক্ষায়। ২০১৫ সালের দক্ষিণী ছবি ‘ভেদালাম’-এর রিমেক এই সুলতান। জিৎ এর সঙ্গে এই ছবিতে রয়েছেন প্রিয়াঙ্কা সরকার,  বিদ্যা সিনহা সাহা মিম ও আরো অনেকে। আগামী ১৪ জুন কলকাতায় মুক্তি পাচ্ছে এই ছবি।

লাইফস্টাইল ডেস্ক।।

১. ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটবে: ডাবের পানি হল প্রকৃতিক টোনার, যা ত্বককে সংক্রমণ থেকে বাঁচানোর পাশাপাশি সার্বিকবাবে স্কিনের ঔজ্জ্বলতা বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে ব্রণর প্রকোপ কমাতেও এই প্রাকৃতিক উপাদানটি সাহায্য করে থাকে।

২. ওজন কমবে: ডাবের পানি উপস্থিত বেশ কিছু উপকারি এনজাইম হজম ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি মেটাবলিজমের উন্নতিতেও সাহায্য় করে থাকে। ফলে খাবার খাওয়া মাত্র তা এত ভাল ভাবে হজম হয়ে যায় যে শরীরের অন্দরে হজম না হওয়া খাবার মেদ হিসেবে জমার সুযোগই পায় না। ফলে ওজন কমতে শুরু করে। প্রসঙ্গত, ডাবের জল শরীরে লবনের মাত্রা ঠিক রাখে। ফলে ওয়াটার রিটেনশন বেড়ে গিয়ে ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

৩. ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকবে: ডাবের পানি উপস্থিত ভিটামিন সি, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে থাকে। সম্প্রতি ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান মেডিকেল জানার্লে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুসারে পটাশিয়াম শরীরে লবনের ভারসাম্য ঠিক রাখার মধ্যে দিয়ে ব্লাড প্রেসারকে স্বাভাবিক রাখে। তাই যাদের পরিবারে এই মারণ রোগটির ইতিহাস রয়েছে, তাদের নিয়মিত ডাবের জল খাওয়া উচিত। একই নিয়ম যদি রক্তচাপে ভোগা রোগীরাও মেনে চলেন, তাহলেও দারুন উপকার মেলে।

৪. ব্লাড সুগারকে বেঁধে রাখবে: ২০১২ সালে হওয়া জার্নাল ফুড অ্যান্ড ফাংশন স্টাডিসে দেখা গিয়েছিল ডাবের জলে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড এবং ডায়াটারি ফাইবার ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হবে: রাইবোফ্লবিন, নিয়াসিন, থিয়ামিন এবং পাইরিডোক্সিনের মতো উপকারি উপদানে ভরপুর ডাবের পানি প্রতিদিন পান করলে শরীরের অন্দরের শক্তি এতটা বৃদ্ধি পায় যে জীবাণুরা কোনওভাবেই ক্ষতি করার সুযোগ পায় না। সেই সঙ্গে ডাবের জলে উপস্থিত অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টি-ব্য়াকটেরিয়াল প্রপাটিজ নানাবিধ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৬. শরীরে পানির ঘাটতি দূর হবে: ডাবের জল শরীরের অন্দরে প্রবেশ করা মাত্র জলের ঘাটতি মিটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে এতে উপস্থিত ইলেকট্রোলাইট কম্পোজিশান ডায়ারিয়া, বমি এবং অতিরিক্ত ঘামের পর শরীরে ভিতরে খনিজের ঘাটতি মেটাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই কারণেই তো গরমকালে ডাবকে রোজের সঙ্গী করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

৭. হার্টের টনিক: শরীরে বাজে কোলেস্টেরল বা এল ডি এল-এর পরিমাণ কমিয়ে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে ডাবের পানির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। শুধু তাই নয়, দেহে ভাল কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়িয়ে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমাতেও ডাবের পানি বিশেষ ভূমিকা নিয়ে থাকে।

৮. মাথা যন্ত্রণা দূরে থাকবে: ডিহাইড্রেশনের কারণে মাথা যন্ত্রণা বা মাইগ্রেনর অ্যাটাক হওয়ার মতো ঘটনা ঘটলে শীঘ্র এক গ্লাস ডাবের পানি খেয়ে নেবেন। এমনটা করলে দেখবেন নিমেষে কষ্ট কমে যাবে। আসলে এই প্রকৃতিক উপাদানটিতে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়াম, এই ধরনের শারীরিক সমস্যার চিকিৎসায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৯.শরীরের বয়স কমবে: খাতায় কলমে বয়স বাড়লেও শরীরের বয়স কি ধরে রাখতে চান? তাহলে আজ থেকেই ডাবের পানি খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার পাবেন। আসলে ডাবের পানি রয়েছে সাইটোকিনিস নামে নামে একটি অ্যান্টি-এজিং উপাদান, যা শরীরের উপর বয়সের ছাপ পরতে দেয় না। সেই সঙ্গে ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

১০. কিডনি ফাংশনের উন্নতি ঘটবে: প্রচুর মাত্রায় পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারণে ডাবের পানি কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে শরীরে উপস্থিত টক্সিন উপাদানদের ইউরিনের সঙ্গে বের করে দিয়ে নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমায়।

১১. স্ট্রেস কমবে: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে ডাবের পানি উপস্থিত ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম শরীরের অন্দের প্রবেশ করার পর একদিকে যেমন স্ট্রেস কমায়, তেমনি পেশীর সচলতা বৃদ্ধিতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানেই শেষ নয়, ডাবের জলে থাকা ক্যালসিয়াম দাঁত এবং হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতিতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ছবি ও তথ্য – ইন্টারনেট ।

পেইজ থ্রি ডেস্ক।।

জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত নায়িকা শিমলা দীর্ঘদিন ধরেই অভিনয় থেকে দূরে। ছোটপর্দায় মাঝে মধ্যে দেখা গেলেও বড়পর্দায় দেখা যায়নি অনেকদিন। শিমলার নতুন খবর হলো- আবার বড়পর্দায় ফিরছেন তিনি এবং বলিউডের ছবি দিয়ে। কিংস এন্টারটেইনমেন্ট প্রযোজিত ও অর্পণ রায়চৌধুরী পরিচালিত হিন্দি ছবি ‘সফর’-এ মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। সম্প্রতি শেষ হয়েছে ছবির মুম্বাই শ্যুটিং শিডিউল।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যেমে শিমলা জানিয়েছেন, বলিউডে কাজ করতে গেলে ভাষাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমি যখন বাংলায় কথা বলছি, তখন আমার এক্সপ্রেশন এক রকম হবে আবার যখন ইংরিজিতে কথা বলব, তখন আমার বডি-ল্যাঙ্গোয়েজ আলাদা হয়ে যায়। যখন হিন্দিতে কথা বলব, তখন আবার অন্য রকম। সেক্ষেত্রে বলব যে অভিনয়টা একটু হলেও আলাদা হয়।

তিনি আরো জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে কোনও অভিনেত্রী লিড রোলে হিন্দি ছবিতে কাজ করছে, এটা বাংলাদেশের জন্য খুব বড় একটা অ্যাচিভমেন্ট। আমি খুব খুশি যে আমার ভাগ্য এতটা ভাল। প্রথম ছবিতেই ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি, আবার বলিউডের মতো একটা জায়গা, যেখানে প্রচণ্ড কম্পিটিশন চলে, সেখানে আমি এরকম একটা সুযোগ পেয়েছি। অনেক বড় বড় অভিনেতা-অভিনেত্রীরা আছেন আমাদের দেশে। তাঁরাও নিশ্চয়ই কাজ করবেন। এটাই আনন্দ হচ্ছে যে, আমার নামটা সেই তালিকায় প্রথম দিকে থাকবে।

পেইজ থ্রি ডেস্ক।।
পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মানের জন্য ৫ জনকে দেয়া হয়েছে সরকারি অনুদান। বুধবার (৬ জুন) ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের জন্য চলচ্চিত্রে সরকারি অনুদান প্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেছে তথ্য মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে অনুদানের পরিমাণ ও অনুদান প্রাপ্তদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে।

এবার মানিক মানবিক শিশুতোষ ‘আজব ছেলে’ চলচ্চিত্রের জন্য অনুদান পেয়েছেন। ‘অবলম্বন’ প্রামাণ্যচিত্রের জন্য অনুদান পেয়েছেন আবিদ হোসেন খান। এর প্রযোজনা করবেন রুবাইয়াত হোসেন।

অভিনেতা, নাট্যকার গাজী রাকায়েত অনুদান পেয়েছেন এবছর। তার কাহিনী, প্রযোজনায় ও পরিচালনায় নির্মিত হবে ‘গোর’ সিনেমাটি। সাইদুল আনাম টুটুলও পেয়েছেন অনুদান। ‘কালবেলা’ নামের সিনেমা পরিচালনা করবেন তিনি। এর প্রযোজক ও কাহিনীকার হিসেবেও রয়েছে তার নাম।

রহিমা বেগমের প্রযোজনায় হাবিবুর রহমানের পরিচালনায় নির্মিত হবে ‘অলাতচক্র’। সিনেমার কাহিনীকারও হাবিবুর রহমান।প্রামাণ্যচিত্র ‘অবলম্বন’ অনুদান হিসেবে পাবে ৪০ লাখ টাকা। আর বাকি ৪টি পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা পাবে ৬০ লাখ টাকা করে।