পেইজ থ্রি ডেস্ক।।
ঈদ উপলক্ষে বিটিভির স্টুডিওতে ধারণ হয়ে গেল ঈদের বিশেষ অনুষ্ঠান আনন্দমেলা। এবারের আনন্দমেলায় অংশ নিয়েছেন সংগীত, টেলিভিশন, চলচ্চিত্র, নৃত্যসহ বিভিন্ন অঙ্গণের একঝাক তারকা শিল্পী। এবারই প্রথম চারজন তারকাশিল্পী একসঙ্গে আনন্দমেলার উপস্থাপনা করছেন। আর এই ভিন্নধর্মী উপস্থাপনার উপস্থাপক থাকবেন তুষার খান, রোজী সিদ্দকী, শাহনাজ খুশি ও নাজনীন হাসান চুমকী। তাদের সঙ্গে আরো অংশ নিয়েছেন অভিনেতা শহীদুজ্জামান সেলিম ও নাট্যকার বৃন্দাবন দাস।


বৃষ্টি নিয়ে তিনটি জনপ্রিয় গানের কোলাজ নিয়ে বিশেষ পরিবেশনায় অংশ নিয়েছেন অভিনেতা ফেরদৌস ও পূর্ণিমা। অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম নৃত্য পরিবেশন করছেন তিনটি জনপ্রিয় গানের সঙ্গে। থাকছে শিবলী মোহাম্মদ ও শামীম আরা নিপা এবং নৃত্যাঞ্চলের অর্ধশতাধিক শিল্পীর অংশগ্রহণে একটি বিশেষ নৃত্য পরিবেশনা।

এবারের আনন্দমেলায় গান গাইছেন কণ্ঠশিল্পী মমতাজ, কুমার বিশ্বজিৎ, অভিনেতা ফজলুর রহমান বাবু। শিল্পী কৌশিক হোসেন তাপসের ফিচারিংয়ে বাউল সামসেল হক চিশতী ও কৌশিক হোসেন তাপস যৌথভাবে পরিবেশন করেন বেহায়া মন-২ শিরোনামের গান। ইবরার টিপুর সংগীতায়োজনে `রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’ গানটি একসঙ্গে গেয়েছেন কণ্ঠশিল্পী দুইবোন ফাহমিদা নবী ও সামিনা চৌধুরী।


আনন্দমেলার বিভিন্ন মজার ও শিক্ষামূলক নাটিকায় অংশ নিয়েছেন অভিনেতা আতাউর রহমান, এসএম মহসিন, আল মামুন, মোহাম্মদ বারি, মনিরা মিঠু, মনোজ কুমার, ইফফাত তৃশা, খলিলুর রহমান কাদেরি, আশরাফ কবীর, আমিনুল হক, রওনক বিশাখা শ্যামলী প্রমুখ। বিশেষ একটি পর্বে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশ মহিলা ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক ও জাতীয় মহিলা ফুটবল দলের দুই খেলোয়ার।

এবারের উপস্থাপনায়ও থাকছে নাটকীয়তা। উপস্থাপক হিসেবে মঞ্চে থাকার কথা রোজী সিদ্দিকী, শাহনাজ খুশি ও নাজনীন হাসান চুমকীর। সময় বয়ে যায় কিন্তু এখনো সেটে পৌঁছাননি তারা। বাধ্য হয়ে মঞ্চে আসেন তুষার খান। অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানের ফাঁকে অনুসন্ধানে জানা যায় তিন নারী উপস্থাপকের সেটে সময় মতো আসতে না পারার মুল কারণ তাদের মেক আপ শেষ না হওয়া। নানা ঝক্কি পেরিয়ে এক সময় তারাও হাজির হন সেটে। চলতে থাকে অনুষ্ঠান।


বিটিভি মহাপরিচালক এসএম হারুণ অর রশীদের পরিকল্পনায় এবারের ঈদ আনন্দমেলা পরিচালনা ও প্রযোজনা করছেন মাহফুজা আক্তার। শিল্প নির্দেশনা মোহাম্মদ সেলিম। প্রচারিত হবে ঈদের দিন রাত ১০টার ইংরেজি সংবাদের পর।

পেইজ থ্রি ডেস্ক।।

ঈদে টিভি চ্যানেল ও রেডিও স্টেশনে বিশেষ ঈদের অনুষ্ঠান ছাড়াও একাধিক গান প্রকাশ পাচ্ছে মেধাবী গায়ক ও সুরকার তানভীর তারেকের।

ঈদ উপলক্ষে নিজের গান প্রসঙ্গে তানভীর তারেক বলেন, ‘সেলেব্রিটি মিউজিক চ্যানেলের ব্যানারে বেশ কিছু গান প্রকাশ পাবে। এর ভেতরে আমার কম্পোজিশনে সুবীর নন্দীর গাওয়া একটি সিঙ্গল ট্র্যাক। আমার নিজের গাওয়া দুটি রোমান্টিক লাভ সং। রমজানের ঐ রোজার শেষে গানটির একটি ব্লুজ ভার্সন করছি, যেটাতে গেয়েছি আমি, ,শাহরিয়ার রাফাত, মানিক ও টুটুল। এছাড়াও দুজন নবাগত শিল্পীর কয়েকটি গানের প্রজেক্ট করছি।’

গানের কাজ ছাড়াও ঈদে টিভি অনুষ্ঠান গ্রন্থনা ও উপস্থাপনা করছেন তিনি। এটিএন বাংলায় ৩ দিন ব্যাপী একাধিক ঈদ স্পেশাল পর্বের শুটিং শেষ করলেন তিনি। যেখানে তানভীর তারেকের অতিথি হয়ে ঈদ আড্ডায় অংশ নিয়েছেন কৌশিক হোসেন তাপস, ফারজানা মুন্নি, ফুটবল তারকা জাহিদ হাসান এমিলি, চিত্রনায়িকা নিপুন, সিয়াম আহমেদ ও পূজা চেরীসহ অনেকে। ঈদ আড্ডা করছেন জাগো এফ এম এর জন্যও।

ঈদের বিশেষ অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে তানভীর বলেন,‘ যেহেতু প্রথমবারের মতো ঈদ ও বিশ্বকাপ খেলা একই সময়ে পড়েছে তাই ঈদের অনুষ্ঠানের আঙ্গিকেও দুটির সমন্বয় রাখার চেষ্টা করেছি। আশা করছি দর্শকেরা সেই ভিন্নতাও উপভোগ করবেন।

এর বাইরে নিজের ইউটিউব চ্যানেলের জন্যও ঈদ স্পেশাল বিশেষ অনুষ্ঠান নির্মান করছেন।
তানভীর তারেক বলেন,‘এখনকার দর্শকের সিংহভাগ ইউটিউব কেন্দ্রীক। তাই গত প্রায় ১ বছর ধরেই আমি ইউটিউবে বিভিন্ন ধরণের কন্টেন্ট প্রকাশ করছি। ঈদ উপলক্ষে বেশকিছু এক্সক্লুসিভ ইন্টারভিউ প্রকাশ পাবে। যেখানে আমার অতিথি জয়া আহসান, শাকিব খান, শাকুর মজিদ, ভারতের প্রখ্যাত কম্পোজার দূর্বাদল চট্টোপাধ্যায়, চিত্রনায়ক ফারুকসহ অনেকে।’

উল্লেখ্য এরই ভেতরে তানভীর তারেকের ইউটিউব ভিত্তিক কয়েকটি শো বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এর ভেতরে প্রতিদিনের লাইভ ‘হকার’ ও বিষয়ভিত্তিক আলোচনার অনুষ্ঠান ‘র‌্যান্ডম টক’ অন্যতম।

পেইজ থ্র্রি ডেস্ক।।

সঞ্জয় দত্তের বায়োপিক নিয়ে দেশ-বিদেশের দর্শকদের মনে আগ্রহ বেড়েই চলছে। এমনকি সমালোচকরাও বলছেন পরিচালক রাজকুমার হিরানি এই ছবি বলিউডে তোলপাড় করবে। এর মাঝেই খবর আসতে শুরু করেছে যে, সঞ্জয় দত্তের জীবনের বহু অংশ কাটছাঁট করতে বাধ্য হয়েছেন পরিচালক।

বলিউডের ‘ব্যাড বয়’ সঞ্জয় দত্তের বায়োপিক ‘সঞ্জু’। কিন্তু, যতটা রোমাঞ্চকর জীবন, ততটা কি ধরা পড়বে রাজু হিরানির ছবিতে! এই ছবিতে সুনীল দত্তের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন পরেশ রাওয়াল।
১২ মার্চ, ১৯৯৩। মুম্বই বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়াল সঞ্জয় দত্তের নাম। তত্‍কালীন পুলিশ কমিশনার রাকেশ মারিয়া তাঁকে সামনে বসিয়ে জেরা করেন। জেরায় সঞ্জয় ভেঙে পড়েন। কেন তিনি এমনটা করলেন, বারবার এই প্রশ্নে মুখ ফসকে সঞ্জয় বলেন, তাঁর গায়ে মুসলমানের রক্ত আছে। সঞ্জয়ের এই উক্তি ‘সেকুলার’ সুনীল দত্তকে সেসময়ে বড় বিপদে ফেলে দিয়েছিল। মহেশ ভাট তখন প্রকাশ্যে বলেছিলেন, মা নার্গিসের প্রভাবে সঞ্জয় কোরান শরিফের আয়াত করা লকেট পরতেন, পরবর্তীকালে অবশ্য সঞ্জয়কে কপালে লাল তিলক পরা চেহারায় দেখেছেন সকলে। অত্যন্ত সংবেদনশীল অথচ সঞ্জয়ের জীবনের এমন গুরুত্বপূর্ণ পর্ব হিরানি কতটা কাটছাঁট করেছেন, তা নিয়ে জল্পনা চলছে।

ছবি থেকে বাদ গিয়েছেন সঞ্জয়ের প্রেমিকারা। বরাবরই ‘রঙীন জীবন’ সঞ্জুবাবার। ভালবেসে বিয়ে করলেন রিচা শর্মাকে। কন্যা জন্মানোর পর ত্রিশলার চারমাস বয়সে ব্রেন টিউমার ধরা পড়ল রিচার। এরপর সঞ্জয়ের মা নার্গিস নিউ ইয়র্কে যে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন, সেখানেই রিচার চিকিত্‍সা করানো হয়। শুটিংয়ের ফাঁকে বারবার স্ত্রীকে দেখতে গেছেন তিনি, অথচ, মুম্বাইয়ে সেই সময়েই তাঁর ও মাধুরী দীক্ষিতের প্রেম নিয়ে প্রায় রোজ খবর লেখা হচ্ছে। এমনকি, মুম্বই বিস্ফোরণের পর যখন মাধুরী তাঁর সঙ্গে ‘ব্রেক-আপ’ করেন, তখন ‘বাবা’ সুনীল দত্ত প্রকাশ্যে ছেলের দুরবস্থার কথা বলেন। একদিকে অসুস্থ স্ত্রী, যাঁর সঙ্গে সঞ্জয়ের কেবল দায়িত্বের সম্পর্ক, অন্যদিকে বিখ্যাত নায়িকা, যাঁকে সঞ্জয় ভালবাসেন অথচ তিনি দূরে সরে যেতে চান। শোনা যাচ্ছে, মাধুরী দীক্ষিতের অনুরোধে এই গোটা পর্বটাই নাকি ছবি থেকে বাদ দিয়েছেন পরিচালক।

এমনকি, একই কারণে সম্ভবত বাদ গিয়েছে টিনা মুনিমের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙার পর্বও। কারণ, টিনার সঙ্গে ব্রেক আপের পরেই নিজের ঘরে বসে নেশার ঘোরে বন্দুক চালাতে শুরু করেন সঞ্জয়। চতুর্দিকে কাঁচ ভাঙতে থাকে আর পাড়াপড়শিরা ভয় পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। সেই থেকেই সঞ্জয়ের বন্দুকের লাইসেন্স নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।
শোনা যাচ্ছে, আম্বানি পরিবারের আপত্তিতে পরিচালক রাজকুমার হিরানি তাঁদের আশ্বস্ত করেছেন। যদিও মান্যতার সঙ্গে তাঁর প্রেম, বিয়ে, বোনেদের সঙ্গে বিরোধ, সন্তান-এসবই থাকছে ছবি জুড়ে। জিনিউজ