পেইজ থ্রি ডেস্ক।।

ঢালিউড সুপারস্টার অভিনীত কলকাতার ছবি ‘ভাইজান এলো রে’ সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে।  সোমবার (১৬ জুলাই) বিকেলে ছবিটি সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে বলে জানিয়েছেন সেন্সর বোর্ড সদস্য ও প্রযোজক নাসিরউদ্দীন দিলু।

‘ভাইজান এলো রে’ ও সাফটা চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে ছবিটি আমদানি করেছে এন ইউ আহমেদ ট্রেডার্স। আগামী ২০ জুলাই ছবিটি বাংলাদেশে মুক্তি দেয়ার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ছবিটির আমদানীকারক প্রতিষ্ঠান।

কলকাতার এসকে মুভিজ প্রযোজিত বাংলাদেশের সুপারস্টার শাকিব খান ও কলকাতার জনপ্রিয় নায়িকা শ্রাবন্তী ও পায়েল সরকার অভিনীত ছবিটি গেল ঈদে কলকাতায় মুক্তি পেয়েছিল। কলকাতায় ছবিটি দারুন সাড়া ফেলেছিল।

পেইজ থ্রি ডেস্ক।।

কলকাতার জিৎ ও বাংলাদেশের মিম অভিনীত ভারতীয় ছবি ‘সুলতান’ ছবিটি সেন্সর বোর্ড থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। রোববার (১৫ জুলাই) ছবিটি সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে এমনটিই জানিয়েছেন সেন্সর বোর্ডের সদস্য ও প্রযোজক নাসির উদ্দিন দিলু।

সাফটা চুক্তির আওতায় ‘সুলতান’ বাংলাদেশে আমদানি করেছেন প্রযোজনা সংস্থা জাজ মাল্টিমিডিয়া। আগামী ২০ জুলাই বাংলাদেশে ছবিটি মুক্তি পাবে। গ্রাসরুট এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেডের প্রযোজনায় ছবিটি কলকাতায় গেল ঈদে মুক্তি পেয়েছিল।

রাজা চন্দ পরিচালিত ‘সুলতান’ ছবিতে জিৎ ও বিদ্যা সিনহা মিম ছাড়াও অভিনয় করেছেন আমান রেজা, প্রিয়াঙ্কা , তাসকিন প্রমুখ।

পেইজ থ্রি ডেস্ক।।

নন্দিত নির্মাতা অমিতাভ রেজার নতুন সিনেমার নাম ‌’রিকশা গার্ল’। সিনেমার নায়িকা এরই মাঝে চূড়ান্ত করেছেন কিন্তু তার নাম এখনও প্রকাশ্যে আনেননি। নতুন খবর হলো , এই ছবিতে অভিনয় করবেন ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান।

এ সিনেমায় শাকিবকে গুরুত্বপূর্ন চরিত্রে দেখা যাবে বলে জানিয়েছেন অমিতাভ রেজা। তিনি জানান, ছবিতে দেশের জনপ্রিয় নায়ক হিসেবেই পর্দায় উপস্থাপন করব। তবে এটি কোনোভাবেই অতিথি চরিত্র নয়।’

ছবিটি প্রসঙ্গে শাকিব খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘মৌখিকভাবে ছবিতে কাজ করার বিষয়ে কথা হয়েছে। ছবির গল্প আমার ভালো লেগেছে।ইচ্ছা আছে সবকিছু মিলে গেলে সিনেমাটিতে কাজ করব।’

অমিতাভ রেজা

‘রিকশা গার্ল’ ছবির গল্প নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে। এতে রিকশা গার্ল নাইমা নামে অভিনয় করতে দেখা যাবে নায়িকাকে।পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মেয়েটি অভিনব পদ্ধতি অবলম্বন করে। পুরুষের বেশে অসুস্থ বাবার রিকশা নিয়ে রাস্তায় বের হন। এক দুর্ঘটনায় বাবার প্রিয় রিকশাটি ভেঙে যায়। রিকশার ভেঙে যাওয়া অংশ ঠিক করতে শুরু হয় নাইমার নতুন সংগ্রাম। এভাবেই ‘রিকশা গার্ল’ ছবিতে নাইমা চরিত্রের সংগ্রামের কাহিনি তুলে ধরা হবে।

এদিকে অক্টোবর-নভেম্বরে শুটিংয়ের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন নির্মাতা। ভারতীয় বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের লেখিকা মিতালি পারকিনসের কিশোর সাহিত্য ‘রিকশা গার্ল’ বইটি ২০০৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে সর্বাধিক বিক্রির তালিকার শীর্ষে ছিল। নিজের নতুন ছবির জন্য এই উপন্যাস বেছে নেন অমিতাভ রেজা চৌধুরী। ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন শর্বরী জোহরা আহমেদ। ছবিটি প্রযোজনা করবেন মার্কিন প্রযোজক এরিক জে অ্যাডামস। ‘রিকশা গার্ল’ ছবির মাধ্যমে রিকশা পেইন্টিংয়ের ঐতিহ্য আর ধারণাকে তুলে ধরা হবে। ছবিতে থাকবে অ্যানিমেশনও।

পেইজ থ্রি ডেস্ক।।

তিনদশক পর চতুর্থবারের মতো আবারও শুরু হতে যাচ্ছে ‘নতুন মুখের সন্ধানে’। আর এবারের প্রতিযোগিতা প্রয়াত সোহেল চৌধুরী, দিতি ও মান্নাকে উৎসর্গ করা হয়েছে। আজ (শনিবার) দুপুর সাড়ে ১২ টায় রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ প্রতিযোগিতার বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানিয়েছেন চিত্রপরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার।

মুশফিকুর রহমান গুলজার জানিয়েছেন,’বিগত তিনবারের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে চলচ্চিত্রকে সমৃদ্ধ করেছিলেন দিতি, সোহেল চৌধুরী, মান্না, মিশা সওদাগর, আমিন খান, অমিত হাসানের মতো তারকারা। তাদের মধ্যে আজ বেঁচে নেই সোহেল চৌধুরী, দিতি এবং মান্না এই তিনজন জনপ্রিয় চিত্রতারকা। প্রয়াত এই তিন জনকে উৎসর্গ করা হলো এবারের ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ প্রতিযোগিতা।’

এছাড়া নতুন মুখের সন্ধানে ২০১৮ প্রতিযোগিতায় এই সংবাদ সম্মেলনে সোহেল চৌধুরী, দিতি ও মান্না এই তিন জনকে উৎসর্গ ঘোষণার পর সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সকলে একমিনিট নিরবতা পালন করে সম্মান প্রদর্শন করেন। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র পরিবারের আহবায়ক আকবর পাঠান ফারুক, নায়ক আলমগীর, বদিউল আলম খোকন, এশিয়ান টেলিভিশনের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ, শাহীন কবির টুটুল, মিশা সওদাগর, খোরশেদ আলম খসরু, সোহানুর রহমান সোহান, ছটকু আহমেদ প্রমুখ।

 

পেইজ থ্রি ডেস্ক।।

আজ চিত্রনায়িকা পূর্ণিমার জন্মদিন। সে উপলক্ষে চ্যানেল আইয়ের ‘তারকাকথন’ অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে আসেন পূর্ণিমা। অনুষ্ঠানে ফোনে যুক্ত হন চিত্রনায়ক ফেরদৌস ও শাকিব খান। দুই জনেই পূর্ণিমাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান।

টেলিফোনে ফেরদৌস পূর্ণিমাকে বলেন, ‘হ্যাপি বার্থডে, হ্যাপি বার্থডে। আমি কিছু সুন্দর কথা লিখে রেখেছি। পূর্ণিমার অালোয় যেমন সবকিছু ভালো লাগে, তেমনি পূর্ণিমার সবকিছুই আমাদের সবার ভালো লাগে।’শুভেচ্ছা জানিয়ে ফেরদৌস আরও বলেন, ‘অনেক কথা হলেও এখন পর্যন্ত সামনাসামনি পূর্ণিমাকে একটা কথা বলা হয়নি। আমরা যে নারীশক্তির কথা বলি, পূর্ণিমা তার উদাহরণ। অনেক দিন ধরে সে নিজের সঙ্গে যুদ্ধ করে আজকের জায়গা অটুট রেখেছে। আমাদের সবার পূর্ণিমার কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। অনেক অনেক ভালো থেকো। তোমার শক্তি যেন থাকে কাজের ক্ষেত্রে, পরিবারের ক্ষেত্রে। এই প্রত্যাশা ও দোয়া। অনেক অনেক ভালোবাসা।’ বন্ধু ফেরদৌসের কাছ থেকে এমন শুভেচ্ছা পেয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে যান পূর্ণিমা। তাঁর চোখ ভিজে যায়। পূর্ণিমা বলেন, ‘আমি সত্যিই আবেগপ্রবণ হয়ে গেছি। সে আমার এত ভালো একজন বন্ধু, সুখে-দুঃখে সব সময় তাকে পাশে পাই। নানাভাবে আমাকে সহযোগিতা করছে।’

এরপর ফোনের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন শাকিব খান। ‘হ্যাপি বার্থডে পূর্ণিমা’ বলতেই কণ্ঠটা চিনতে পারেন পূর্ণিমা। জন্মদিনের আয়োজনে অবাক হন শাকিবের ফোন পেয়ে। চলচ্চিত্রপাড়ায় একটা গুঞ্জন শোনা যায়, শাকিব খান আর পূর্ণিমার মাঝে নাকি কিছুটা দূরত্ব আছে! আজ তা ভুল প্রমাণ করেন তাঁরা দুজন। পর্দার বাইরেও যে শাকিব-পূর্ণিমার মধ্যে দারুণ বন্ধুত্ব, তা দুজনের কথায় স্পষ্ট হয়। শাকিব খানের ফোনকলের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে পূর্ণিমা বলেন, ‘এটা আসলেই অন্য ধরনের সারপ্রাইজ হয়ে গেল।’ পূর্ণিমা শাকিবের কাছে জানতে চান, ‘শাকিব, কোথায় তুমি? ঢাকায়, নাকি কলকাতায়?’ শাকিবের উত্তর, ‘আমি ঢাকাতেই আছি। তোমার বার্থডের জন্যই এসেছি।’ এরপর মজা করে পূর্ণিমা বলেন, ‘এবার আমার জন্মদিনের পার্টিটা তুমি (শাকিব) দাও।’ স্বভাবসুলভ হাসি দিয়ে শাকিবও বলেন, ‘তুমি চাইলে অবশ্যই দেব।’ শাকিব আরও বলেন, ‘তোমার জীবন পূর্ণিমার আলোর মতোই আলোকিত হোক। অনেক ভালোবাসা। অনেক দোয়া।’

 

 

পেইজ থ্রি ডেস্ক।।

ভারতীয় চারটি মুভির নো অবজেকশন সার্টিফিকেট পেয়েছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান। ১০ জুলাই মঙ্গলবার বিকেলে এনওসির চিঠি সেন্সর বোর্ড থেকে পেয়েছে বলে জানিয়েছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান। ৯ জুলাই সোমবার সেন্সর বোর্ডে এনওসির জন্য আবেদন করে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান।

জানা গেছে, ‘ভাইজান এলো রে ‘ ও ‘ সুলতান ‘ বিমানবন্দর কাষ্টমস হাউজ থেকে ছাড় করানো হবে। এরপর নিয়ম মেনে আগামীকাল ১২ জুলাই সেন্সর বোর্ডে জমা দেয়া হবে। আগামী সপ্তাহে সেন্সর হয়ে গেলে জুলাই মাসেই কলকাতার দু’টি সিনেমা হলে মুক্তি পাবার সম্ভাবনা রয়েছে।

কলকাতার এসকে মুভিজ প্রযোজিত বাংলাদেশের সুপারস্টার শাকিব খান ও কলকাতার জনপ্রিয় নায়িকা শ্রাবন্তী অভিনীত ‘ভাইজান এলো রে’ ও বাংলাদেশ থেকে ‘একটি সিনেমার গল্প’ আমদানি – রফতানির অনুমতি পেয়েছে এন ইউ আহমেদ ট্রেডার্স।
অন্যদিকে, কলকাতার সুপারস্টার জিৎ ও বাংলাদেশের লাক্স সুন্দরী বিদ্যা সিনহা মিম অভিনীত ‘সুলতান’ ছবিটি আমদানির অনুমতি পেয়েছে জাজ মাল্টিমিডিয়া। কলকাতার অপর ২টি ছবি ‘ওপ্রিয়া রে’ ও ‘ফিদা’ আমদানির অনুমতি মিলেছে আরাধনা কথাচিত্রের।

পেইজ থ্রি ডেস্ক।।

বয়সের ছাপ নেই তাঁর সৌন্দর্যতে। দিন দিন নিজেকে আরো মোহনীয় করে তুলছেন! যার কথা বলছিলাম তিনি বাংলাদেশের ‘বিউটি কুইন’ জয়া আহসান। গেল ১ জুলাই ছিলো তার জন্মদিন। সেদিন থেকেই লক্ষ করা যাচ্ছে শোবিজে জয়ার বয়স নিয়ে নানামুখী আলোচনা। ফেসবুক, কিছু গণমাধ্যমেও ছড়ানো হয়েছে বিভ্রান্তি। কখনো দাবি করা হয়েছে জয়ার বয়স ৪৪, কোথাও আবার সেটা ৪৬ বলা হয়েছে। তাই এ বিষয় নিয়ে আজ মঙ্গলবার নিজের ব্যাক্তিগত ফেসবুকে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি।

সেখানে তিনি লেখেন,‘বিরসা দাশগুপ্তের ‘ক্রিসক্রস’ চলচ্চিত্রের টিজার ও গান মুক্তি পেল। অপ্রত্যাশিত সাড়া পেয়েছি আমরা। । ভালো হোক কিংবা মন্দ-আমার অভিনীত চলচ্চিত্র কিংবা আমার কাজ নিয়ে বেশিরভাগ চলচ্চিত্র দর্শকই গুরুত্বের সাথে মতামত দেন। কখনো আমার কাজ আমার ভক্তদের গর্ব বাড়িয়ে দেয়, কখনো আমি তাদের হতাশ করি।

তবে যারা আমার কাজ অপছন্দ করেন কিংবা যারা আমাকে অপছন্দ করেন, তাদের আমি অপছন্দ করিনা। বরং তাদের ব্যাপারে আমি আরো অনেক বেশি যত্নশীল। গঠনমূলক সমালোচনাই তো একজন শিল্পীকে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌছে দেয়। আমি আমার অভিনয় জীবনে বরাবরই সমালোচকদের দেখানো পথে চলবার চেষ্টা করেছি। তবে শুধুমাত্র ‘বলার জন্য বলা’ নেতিবাচক মন্তব্য কখনো আমার ভেতর প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারেনি। এ ক্ষেত্রে আমি নির্ভার।

তবে ইদানিং ২/১ টি বিষয় আমাকে কিছুটা ভাবিয়ে তুলেছে। বিশেষ করে ইদানিং বেশ কয়েকজন বিভিন্ন পত্রপত্রিকা/ উইকিপিডিয়ার তথ্যসূত্র টেনে আমার বয়স নিয়েও বেশ চর্চা করছেন। বলা হচ্ছে, আমার বয়স নাকি ৪৬ ! গুজব-গুঞ্জন আমি বরাবরই খাবরের লবনের মত উপভোগ করে গিয়েছি। দু-একজন সমবয়সী কিংবা আমার চেয়ে বয়সে বড় শ্রদ্ধাভাজন সহকর্মী (বিশেষ করে বেশ কয়েকজন অভিনেত্রী) গণমাধ্যমে নিজেদের অধিকার মনে করে আমার বয়স (ভুল তথ্য) নিয়ে চর্চা করেছে-বিষয়টি মজার। তাই এতদিন উপভোগ করেই গিয়েছি। তবে খুব সম্ভবত আমার চুপ থাকাটাকে অনেকে ‘মৌনতা সম্মতির লক্ষণ’ হিসেবে ধরে নিয়েছেন। নিন্দুকেরাও ‘অস্ত্র’ হিসেবে আমার বয়সের ভুল তথ্য প্রচার করে আনন্দ পাচ্ছেন।

এ ক্ষেত্রে আমি প্রথম ও শেষবারের মত সবার উদ্দেশ্যে বলতে চাই: বয়স নয়। একজন শিল্পীর প্রকৃত পরিচয় হওয়া উচিত তার কাজে। ৪৬ কিংবা ৫৬ কিংবা তার চেয়েও বেশি বয়স হলেই অভিনেত্রীরা কাজের অযোগ্য কিংবা তারুণ্যদীপ্ত চরিত্রে অভিনয় করতে পারবেন না-এমন ধারণা বিশ্বের কোনো চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিই পোষণ করেন না। তাই ব্যক্তি জয়া আহসানের যে বয়স, তা নিয়ে আমি এতটুকু বিচলিত নই। তবে ভুল তথ্য প্রচার করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে হেয় করার চেষ্টা থেকে বিরত থাকার জন্য সবার উদ্দেশ্যে অনুরোধ করছি। বিশেষ করে আমার কাজ যারা পছন্দ করেন, দায়িত্বশীল যেসব সাংবাদিক আমাকে নিয়ে দু কলম লিখবার মত যোগ্য মনে করেন, তারা ভবিষ্যতে বিষয়টি সংবেদনশীলভাবে দেখবেন বলেই আশা করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রকৃত সত্য হলো, ৪৬ বছর আগে আমার বাবা-মা’র বিয়ে তো দূরের কথা, দেখাও হয়নি। এতদিন বিষয়টি হেসেই উড়িয়ে দিয়েছি। তবে ইদানিং বিষয়টি মাত্রাতিরিক্ত আকার ধারণ করায় পরিবার ও কাছের বন্ধুদের অনুরোধে লিখতে বাধ্য হয়েছি। সংশ্লিষ্টদের কাছে অনুরোধ, একজন শিল্পীর জীবন বৃত্তান্ত তুলে ধরবার আগে নূন্যতম একবার তার সাথে কথা বলা উচিত। কারণ শুধু বয়স ভুলের তথ্যই নয়, বিভিন্ন মাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে, আমার আরো দুই বোন ও এক ভাই রয়েছে (প্রকৃত তথ্য: আমরা দুই বোন ও এক ভাই)। বলা হয়, আমার বাড়ি ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ায় (প্রকৃত তথ্য: গোপালগঞ্জ)। শুধু তাই নয়, আমার বাবার নামও লেখা হয় আলী আহসান সিডনী (প্রকৃত তথ্য: অভিনেতা জিতু আহসানের বাবা প্রখ্যাত অভিনেতা সৈয়দ আলী আহসান সিডনী। আমার বাবা ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এ এস মাসউদ)। রয়েছে আরো অনেক ভুল তথ্য। আশা করছি ভুল শুধরে ভবিষ্যতে আমরা প্রতিটি শিল্পী সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানার চেষ্টা করবো। কারণ ভক্তরা যেমন তার পছন্দের শিল্পী সম্পর্কে ভুল তথ্য কিংবা ভুল ব্যাখ্যা পড়তে পছন্দ করেন না, শিল্পীরাও প্রতিনিয়ত ভুল তথ্য দিয়ে ভক্তদের বিভ্রান্ত করতে চান না।’

সাংবাদিকদের কাছে অনুরোধ করে তিনি বলেন, ‘প্রিয় সাংবাদিক ভাইদের কাছে বিনীত অনুরোধ, একজন অভিনেতার কাজ নিয়ে লিখবার সময় যদি তার বয়সের বিষয়টি না আসে, একজন অভিনেত্রীর ক্ষেত্রেও সে বিষয়টি অপ্রাসঙ্গিকভাবে আসাটা কতটা যৌক্তিক, তা নিয়ে কিন্তু আমাদের ভেবে দেখবার অবকাশ রয়েছে। সবার জন্য রইলো শুভ কামনা।’

পেইজ থ্রি ডেস্ক।।

গেল ৮ জুলাই রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেমে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৬’। আর সেখানে ‘আয়নাবাজি’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হয়েছেন চঞ্চল চৌধুরী। ৯ জুলাই রাতে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে এ নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন চঞ্চল চৌধুরী।

ফেসবুকে চঞ্চল লিখেছেন, ‘প্রান উজাড় করা আবেগ আর পরিশ্রম দিয়ে কাজ করে গিয়েছি কেবলই কাজের নেশায়। কখনো পরিকল্পনা করি নাই যে পুরস্কার অর্জন করবো। আমার এই পরিশ্রমের ঘোরকে যে সম্মানের তিলক করে দিলেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ, সম্মানিত। আমার এই সব অর্জন আপনাদের জন্য। তাই আপনাদের প্রতিই উৎসর্গ করছি। আমার কাজ নিয়ে আপনাদের ভালবাসার দিকে তাকিয়ে থাকি,থাকবোও। কৃতজ্ঞতা সবার প্রতি।’

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে গৌরবোজ্জ্বল ও অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২৬টি ক্যাটাগরিতে শিল্পী ও কলাকুশলীদের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৬ দেওয়া হয়েছে।

পেইজ থ্রি ডেস্ক।।
ভারতীয় চারটি ছবি এনওসি ( নো অবজেকশন সার্টিফিকেট) পেতে সেন্সর বোর্ডে সোমবার  ৯ জুলাই আবেদন করেছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ছবিগুলো হচ্ছে- ভাইজান এলো রে, সুলতান, প্রিয়ারে ও ফিদা ।  আজ মঙ্গলবার (১০ জুলাই ) চারটি মুভির এনওসি’র অনুমতি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সেন্সর বোর্ড সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, সেন্সর বোর্ড থেকে এনওসির অনুমতি ছাড়া বিমান বন্দর কাষ্টমস থেকে আমদানী করা ছবি ছাড় করানো যাবে না।

এদিকে ‘ভাইজান এলো রে’, ‘সুলতান’, ‘প্রিয়ারে’ ও ‘ফিদা ‘ বাংলাদেশে আমদানি করার অনুমতি দিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ থেকে ভারতে রফতানির অনুমতি দেয়া হয়েছে নায়ক আলমগীর পরিচালিত ‘ একটি সিনেমার গল্প’।

গত ৫ জুলাই বৃহস্পতিবার আমদানি ও রফতানির চিঠি পায় আমদানি- রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান। কলকাতার এসকে মুভিজ প্রযোজিত বাংলাদেশের সুপারস্টার শাকিব খান ও কলকাতার জনপ্রিয় নায়িকা শ্রাবন্তী অভিনীত ‘ভাইজান এলো রে’ ও বাংলাদেশ থেকে ‘একটি সিনেমার গল্প’ আমদানি – রফতানির অনুমতি পেয়েছে এন ইউ আহমেদ ট্রেডার্স।

অন্যদিকে, কলকাতার সুপারস্টার জিৎ ও বাংলাদেশের লাক্স- চ্যানেল আই সুন্দরী বিদ্যা সিনহা মিম অভিনীত ‘সুলতান’ ছবিটি আমদানির অনুমতি পেয়েছে জাজ মাল্টিমিডিয়া। ভারতীয় অন্য দুটি ছবি ‘প্রিয়ারে’ ও ‘ফিদা’ আমদানির অনুমতি মিলেছে আরাধনা কথাচিত্রের।

পেইজ থ্রি ডেস্ক।।

চলে গেলেন অভিনেত্রী রানী সরকার। জীবনের শেষ সময়টুকুতে সবচেয়ে বড় দু:চিন্তা ছিল তাঁর পরিবার। বার্ধক্যের কারণেই তাঁর এমন প্রয়াণ। দীর্ঘদিন ধরে নানা রোগ শোকে ভুগছিলেন রানী সরকার। জীবনের শেষদিনগুলোর সাক্ষাৎকারে বারংবার কথাগুলো বলেছেন। তাইতো মরার পর তার পরিবারের কি হবে এটা নিয়ে আগে থেকেই বেশ দুশ্চিন্তায় ছিলেন তিনি।

এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, সিনেমার জন্য জীবনটা ব্যয় করেছি। বিয়েও করিনি। আজ আমার দেখার মানুষ নেই। আমি মরার পর আমার পরিবার কে দেখবে জানিনা, তবে মরার আগে ওদের ঠিকমত চালাতে চাই, তাও পারছিনা। জীবন সায়াহ্নে এসে প্রবীণ এই অভিনেত্রী নিজের অসচ্ছলতার কথাও জানিয়েছিলেন সবাইকে। আকুতি করে বলেছেন, চারদিন ধরে ঘরে চাউল ছাড়া খাবার নেই। লবণ-পানি দিয়ে চটকিয়ে ভাত খেতে আর ভালো লাগেনা। এমনভাবে আর কতদিন বেচে থাকা যায়। আমাকে বাঁচান। তাঁর আপন বলতে কেউ নেই। তবে বোনের ও ভাইয়ের পরিবারও এই বৃদ্ধ বয়সে তিনি দেখাশুনা করতেন। নিজের আয় করা অর্থ তাদের পেছনে খরচ করতেন।

তার সাহায্যে এগিয়ে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী তাকে ২০ লাখ টাকা সাহায্য প্রদান করেন। সেখান থেকে ১৩ হাজার টাকা প্রতিমাসে ভাড়া দিয়ে পরিবার নিয়ে থাকতেন। তিনি বলতেন,‘ ম্যাডাম শেখ হাসিনা যদি আমাকে সাহায্য না করতেন এতদিন কোন সাগরে হারিয়ে যেতাম তার ঠিক নেই। আল্লাহর ইচ্ছে আর প্রধানমন্ত্রীর ওছিলায় আমি আজ বেঁচে আছি।’

রানী সরকারের গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার সোনাতলা গ্রামে। সেখানে ভিটেমাটি ছাড়া আর কিছু নেই। সেটা দেখাশোনা করেন তার ভাতিজা। রানী সরকারের তিন ভাইবোন। বড়ভাই আগেই মারা গেছেন।