পেইজ থ্রি ডেস্ক।।

নাট্যচার্য সেলিম আল দীনের স্মরণে আবারও শুরু হচ্ছে ‘সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব’। গুণী এই ব্যক্তির দশম প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) থেকে ঢাকায় শুরু হচ্ছে এই আয়োজন।

ঢাকা থিয়েটার ও গ্রাম থিয়েটারের যৌথভ আয়োজনে এবারের উৎসব চলবে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। এতে থাকছে সেমিনার, সেলিম আল দীনের নাটক প্রদশর্নী, তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা ও প্রয়াণ দিবস পালন।

উৎসব উপলক্ষে নাট্য ও চলচ্চিত্র ব্যাক্তিত্ব নাসিরউদ্দিন ইউসুফকে আহবায়ক করে উৎসব কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি জানান, শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) শিল্পকলা একাডেমির সেমিনার কক্ষে ‘সেলিম আল দীন: আপন নাট্যভূমে প্রায় নিঃসঙ্গ’ শীর্ষক সেমিনারের মধ্যদিয়ে উৎসবের কর্মসূচি পালন শুরু হবে। এতে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন নাট্যকার মাসুম রেজা। আলোচনায় অংশ নেবেন ইউসুফ হাসান অর্ক, মাসউদ ইমরান মান্নু, সোহেল হাসান গালিব, আবু সাঈদ ভুলু, আলতাফ শাহনেওয়াজ প্রমুখ।

উৎসবের দ্বিতীয় দিন ১৩ জানুয়ারি শনিবার সন্ধ্যায় রয়েছে ঢাকা থিয়েটার প্রযোজিত ও সেলিম আল দীন রচিত নাটক ‘ নিমজ্জন’ মঞ্চায়ন। নাটকটির নির্দেশনায় থাকছেন নাসিরউদ্দন ইউসুফ।

১৪ জানুায়ারি ( রোববার ) সেলিম আল দীনের দশম প্রয়াণ দিবসে উৎসব কমিটির পক্ষ থেকে সকাল দশটায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। সন্ধ্যা সাতটায় বাংলা একাডেমিতে সেলিম আল দীন রচিত নাটক ‘ধাবমান’ মঞ্চস্থ হবে। ঢাকা থিয়েটার প্রযোজিত এই নাটকের নির্দেশনায় রয়েছেন শিমূল ইউসুফ। সেমিনার সবার জন্যে উন্মুক্ত এবং নাটক দর্শনীর বিনিময়ে উপভোগ করা যাবে।

পেইজ থ্রি ডেস্ক।।

বহুমাত্রিক গুনে গুনান্বিত শাকুর মজিদ । ভ্রমণ সাহিত্য আর তথ্যচিত্র নির্মাণে বেশ মনোযোগী তিনি। একটা সময় টেলিভিশনের জন্যও নাটক লিখেছেন। ২০১০ সালে মঞ্চের জন্য শাকুর মজিদ লিখেছিলেন নাটক ‘মহাজনের নাও’। মঞ্চে আনে সুবচন নাট্যসংসদ। বাউল শাহ আবদুল করিমের জীবনভিত্তিক ‘মহাজনের নাও’ নাটকটি দেশ-বিদেশের মঞ্চে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।

নতুন খবর হচ্ছে মঞ্চের জন্য নতুন একটি নাটক লিখেছেন শাকুর মজিদ। দ্বিতীয় নাটকেও আগের মতোই শেকড় সন্ধানী তিনি। এবারের নাটকের বিষয় লোকজ গানের অন্যতম প্রাণপুরুষ হাছন রাজা। নাটকের নাম ‘হাছনজানের রাজা’। কাব্যধর্মী এই নাটকে হাছন রাজার জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় উঠে এসেছে। নাটকটি মঞ্চে আনবে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ নাট্যদল প্রাঙ্গণেমোর। নির্দেশনা দিচ্ছেন অনন্ত হীরা। দলটি ইতিমধ্যে নাটকের অনুশীলন শুরু করেছে। আগামী মার্চ নাগাদ ঢাকার মঞ্চে দেখা যাবে।

পেইজ থ্রি ডেস্ক।।
নতুন বছরে মঞ্চে আসছে নারী জাগরণের নাটক ‘আয়না বিবির পালা’।  ৩ জানুয়ারি (বুধবার) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে সন্ধ্যা ৭টায় নাটকটি মঞ্চস্থ হবে।

লোকসাহিত্য সংকলন ময়মনসিংহ গীতিকার ‘আয়না বিবি’ হলো নারীর প্রতি সমাজের অমানবিকতার অন্যতম দৃষ্টান্ত। তবুও কিছু নারী হয়ে ওঠে প্রতিবাদী। শৃঙ্খল ভাঙা প্রদিতবাদী এক নারীর গল্প নিয়ে নাট্যধারার ২০তম প্রযোজনা ‘আয়না বিবির পালা’। রবিউল আলমের নাট্যরূপ ও নির্দেশনায় নাটকটির নবনির্দেশনা ও কোরিওগ্রাফ করেছেন লিটু সাখাওয়াত।

নাটকের সংগীত পরিচালনা করেছেন লিটু সাখাওয়াত এবং সব্যসাচী চঞ্চল। পোশাক ও মুখোশ ডিজাইন করেছেন শুচিস্মীতা বোস শাওলী। সেট করেছেন রফিকুল ইসলাম এবং আলোক পরিকল্পনায় আছেন শাকিল আহমেদ। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন লিটু সাখাওয়াত, দীপান্বিতা, গাজী রহিসুল ইসলাম তমাল, কামাল হোসেন, হাফসা আক্তার, রুবেল, সব্যসাচী চঞ্চল, রফিকুল ইসলাম, মিরাজ, রবিন, নাঈম, ইমরান প্রমুখ।

পেইজথ্রি ডেস্ক।।

বাংলা সাহিত্যের সর্বাধিক জনপ্রিয় ও পঠিত নন্দিত লেখক, চলচ্চিত্রকার এবং নাট্যকার-নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের ৬৯তম জন্মদিন ছিল আজ (সোমবার)।আমাদের এ প্রতিবেদন তার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি। হুমায়ূন আহমেদের লেখা বিখ্যাত এ গানগুলো আপনাদের জন্য নিবেদন—

চাঁদনী পসর রাইতে যেন আমার মরণ হয়

বর্ষা, প্রকৃতি, জ্যোৎস্না— এসব ভালোবাসতেন কলম জাদুকর হুমায়ূন আহমেদ। তাই তিনি গানের মধ্য দিয়ে বিধাতার কাছে ফরিয়াদ জানিয়েছিলেন যেন জ্যোৎস্নার আলোয় মরণ হয়। সে আশা পূর্ণ হয়নি। কিন্তু তার শেষ নিবাসে এখনও জ্যোৎস্নায় ভেসে যায়। নিশ্চিত তিনি চাঁদের আলো গায়ে মেখে হেঁটে বেড়ান।

আমার ভাঙা ঘরে ভাঙা চালা ভাঙা বেড়ার ফাঁকে

ফেরদৌস, মেহের আফরোজ শাওন ও আসাদুজ্জামান নূরকে নিয়ে হুমায়ূন আহমেদ নির্মাণ করেন ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’। এ ছবিতে সাবিনা ইয়াসমিনের কণ্ঠে গাওয়া ‘আমার ভাঙা ঘরে ভাঙা চালা ভাঙা বেড়ার ফাঁকে’ গানটি এখনও মানুষের মন খারাপ করে। গানটির সুর মকসুদ জামিল মিন্টুর।

চাঁদনী পসরে

‘চন্দ্রকথা’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘চাঁদনী পসরে’। অত্যাচারী জমিদার তার বাড়িতে গানের আসর বসায়। সেখানে গান গাওয়া হয়। মাকসুদ জামিল মিন্টুর সুরে গানটি গেয়েছেন সেলিম চৌধুরী।

https://www.youtube.com/watch?v=H4_tlGWLKgM

যদি মন কাঁদে চলে এসো এক বরষায়

বলা যায় হুমায়ূন তার প্রিয় লেখক রবীন্দ্রনাথের মতো বর্ষা নিয়ে অসংখ্য গান রচনা করে গেছেন। তেমনি একটি গান ‘যদি মন কাঁদে চলে এসো এক বরষায়’। এস আই টুটুলের সুরে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন শাওন। গানটি বহু নাটকে ব্যবহৃত হয়েছে।

বরষার প্রথম দিনে

‘বরষায় প্রথম দিনে’ গানটি প্রথমে ‘নীতু তোমাকে ভালোবাসি’ টেলিফিল্মের জন্য লিখেছিলেন হুমায়ূন। পরে তিনি ‘দুই দুয়ারি’ ছবিতে ব্যবহার করেন। দারুণ জনপ্রিয় এ গানটিতে কণ্ঠ দেন সাবিনা ইয়াসমিন। সুর করেন মকসুদ জামিল মিন্টু।

চল না বৃষ্টিতে ভিজি

এ গানটিও প্রথমে একটি টেলিফিল্মে ব্যবহৃত হয়। প্রকাশ হয় অ্যালবাম। পরবর্তীতে হুমায়ূন আহমেদের ‘কৃষ্ণপক্ষ’ উপন্যাস অবলম্বনে মেহের আফরোজ শাওনের বানানো একই নামের ছবিতে ব্যবহার করা হয়। গানটিতে কণ্ঠ দেন এস আই টুটুল ও শাওন। সুর ও সংগীতায়োজন এস আই টুটুলের।

মাথায় পরেছি সাদা ক্যাপ

এমন এক শহরে এসে পড়েছে যুবক যে শহরে তাকে কেউ-ই চেনে না। তাই গানে গানে সে তার পরিচয় খুঁজে বেরায়। ‘দুই দুয়ারি’ ছবিতে গানটি ব্যবহৃত হয়েছে। মকসুদ জামিল মিন্টুর সুরে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন আগুন।

নদীর নাম ময়ূরাক্ষী

একবার হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী শাওন রাগ করে বাপের বাড়ি চলে গিয়েছিলেন। তখন তিনি রাগ ভাঙ্গানোর জন্য গানটি লিখেছিলেন। পরবর্তীতে গানটি ‘আমার আছে জল’ ছবিতে ব্যবহার করেন। সুর ও কণ্ঠ দেন এস আই টুটুল।

 আমার উড়াল পঙ্খীরে যা যা তুই উড়াল দিয়া যা

সুবীর নন্দীর কন্ঠে গাওয়া ‘চন্দ্রকথা’ ছবি ব্যবহৃত হয়েছে। সুর করেছেন মকসুদ জামিল মিন্টু। বরাবরের মতো তিনি গতানুগতিক উপমার ধার ধারেননি গানের কথায়।

একটা ছিল সোনার কন্যা

বিয়োগান্তক সিনেমা ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’-এর গান এটি। হুমায়ূন আহমেদ নিজের উপন্যাস অবলম্বনে পরিচালনা করেছিলেন। গানটিতে সুবীর নন্দী কণ্ঠ দিয়েছিলেন। সুর করেছিলেন মকসুদ জামিল মিন্টু। ছবিটিতে অভিনয় করেছেন মাহফুজ আহমেদ, জাহিদ হাসান ও শাওন।

পেইজথ্রি ডেস্ক।।

বাংলা সাহিত্যের সর্বাধিক জনপ্রিয় ও পঠিত নন্দিত লেখক, চলচ্চিত্রকার এবং নাট্যকার-নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের ৬৯তম জন্মদিন আজ (সোমবার)।

১৯৪৮ সালের আজকের এই দিনে নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুরে হুমায়ূন আহমেদ জন্মগ্রহণ করেন। পড়ালেখা শেষে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। নব্বই দশকের মাঝামাঝি স্বেচ্ছায় চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করে লেখালেখিতে পুরোপুরি মনোযোগ দেন। উপন্যাস, নাটক, শিশুসাহিত্য, বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি, চলচ্চিত্র পরিচালনা থেকে শিল্প-সাহিত্যের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি রেখে গেছেন নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর। বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক ‘একুশে পদক’ লাভ করেন।

হুমায়ূন আহমেদের শরীরে ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মরণব্যাধি ক্যান্সার ধরা পড়ে। উন্নত চিকিত্সার জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে যান। সেখানে ২০১২ সালের ১৯ জুলাই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁকে সমাহিত করা হয়েছে তাঁরই গড়ে তোলা নন্দনকানন নূহাশ পল্লীর লিচুতলায়।

হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন উপলক্ষে টিভিতে প্রচারিত হবে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। শাহবাগের কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি চত্বরে শুরু হচ্ছে ‘হুমায়ূন আহমেদের একক বইমেলা’। উদ্বোধন করবেন কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন ও ভাই আহসান হাবীব।

গাজীপুরের নূহাশ পল্লীতে লেখকের জন্মদিন উপলক্ষে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কেক কাটা, পুরো নূহাশ পল্লীকে আলোকসজ্জায় সজ্জিতকরণ ও মরহুমের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ। সকালে হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন তার ছেলে নিষাদ ও নিনিতকে নিয়ে নূহাশ পল্লীতে মরহুমের কবর জিয়ারত, দোয়া মাহফিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

এদিকে চ্যানেল আই ‘হুমায়ূন মেলা’র আয়োজন করেছে। আজ বিকাল ৩টা ৫ মিনিটে চ্যানেল আই চত্বরে দেশের বিশিষ্টজনেরা এ মেলার উদ্বোধন করবেন। হুমায়ূনের ভক্তদের সংগঠন হিমু পরিবহনের উদ্যোগে গাজীপুরে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সকালে ক্যান্সার সচেতনতামূলক ৩০ জনের একটি সাইকেল র‌্যালি জেলা শহর থেকে নূহাশ পল্লীতে যাবে। সংগঠনের ১৫ সদস্যের অপর একটি দল ঢাকা থেকে খালি পায়ে হেঁটে নূহাশ পল্লীতে যাবে। বিকালে গাজীপুর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

পেইজথ্রি ডেস্ক।।

তারুণ্যদীপ্ত নাট্যদল বাতিঘর ১৩ নভেম্বর(সোমবার) মঞ্চে আনছে আলোচিত নাটক ‘ঊর্ণাজাল’। সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার হলে পরিবেশিত হবে নাটকটির মঞ্চায়ন। ‘ঊর্ণাজাল’ রচনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন বাকার বকুল।

বিদেশ থেকে শিক্ষাজীবন শেষ করে নিজ গ্রামে ফিরে আসে খালেদ। স্কুলের জন্য রেখে যাওয়া পিতার একখণ্ড জমিতে মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে সে। খালেদের বন্ধু সাইফুল সাঁইজির আখড়ায় বেড়ে উঠতে উঠতে একসময় গায়েন হয়ে যায়। ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত হতে গিয়ে শিল্পের মনঃসংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে সে। অন্যদিকে চক্ষুদান করে যাওয়া জয়নাল গায়কের জানাজা পড়ানোর দায়ে ইমামের জিহ্বা কেটে নেয় সমাজপতিরা। গায়কের কবরে গোখরা সাপ দেখে ভীত হয় গ্রামবাসী।

এই সুযোগে ধর্মীয় মতবাদে কৌশলে ঢুকে পড়ে অপকৌশল ও কূটনীতি। কাফের মুরতাদ হত্যার প্রশিক্ষণ চলতে থাকে দূরের জঙ্গলে জঙ্গি ক্যাম্পে। সমাবেশে গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটাতে গিয়ে হতাহতের দৃশ্যে বিহ্বল মুজাহিদের মৃত্যু হয় পিন পয়েন্ট খোলা নিজের হাতের অন্য গ্রেনেডে। গোপনে বাঁশঝাড়ে দাফন হয় লাশটির। মধ্যরাতে শহিদের লাশ খায় একদল শিয়াল। মুরতাদের চোখ নিয়ে বেঁচে থাকা মুজাহিদ বিভ্রান্ত হয় জিহাদি কর্মে। আমির কৌশলে তার চোখ দুটো উপড়ে ফেলে। তৃতীয় নয়ন উন্মোচিত হয় মুজাহিদের। এভাবেই এগিয়ে যায় নাটকটির কাহিনি।

নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন- মুক্তনীল, সাদ্দাম রহমান, সাদিয়া ইউসুফ বৃতা, ফিরোজ মুনীর, শাফিন আহমেদ অশ্রু, সঞ্জয় হালদার, সঞ্জয় গোস্বামী, শিশির সরকার, তাজিম আহমেদ শাওন, সাবরিনা শারমিন, স্মরণ বিশ্বাস,ফয়সাল মাহমুদ, তন্ময়, রুম্মান সারু প্রমুখ।

পেইজথ্রি ডেস্ক।।

কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ’র ৬৯তম  জন্মদিন সোমবার (১৩ নভেম্বর)। এ  উপলক্ষে শিল্পকলা একডেমির পরীক্ষণ থিয়েটার হলে নান্দনিক নাট্য সম্প্রদায়ের উদ্যোগে জন্ম উৎসব আয়োজন করা হয়েছে।

লেখকের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে  জন্ম উৎসব’র উদ্বোধন করবেন মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান (এমপি) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত থাকবেন শিল্পকলা একাডেমির মহা-পরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, লেখক আহসান হাবিব,মেহের আফরোজ শাওন।

হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন উপলক্ষে শিল্পকলায় 'নৃপতি'

সন্ধ্যা ৭টায় মঞ্চায়িত হবে লেখক রচিত প্রথম মঞ নাটক। হুমায়ূন  আহমেদ নাটকটিতে স্বৈরাচার শাসকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, শাসকদের একনায়কতন্ত্র ও খেয়ালিপনার বিরুদ্ধে তার নিজস্ব সাহিত্যরসে ব্যঙ্গাত্মকভাবে উপস্থাপন করেছেন।

নাটকটির নির্দেশক বলেন, স্যার নান্দনিকের মহড়া কক্ষে বসে নাটকটি রচনা করেন এবং সংলাপ রচনা করেন রাজনৈতিক স্থানচুতির বিরুদ্ধে।

হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন উপলক্ষে শিল্পকলায় 'নৃপতি'

নাটকটির প্রযোজনা ব্যবস্থাপক সোহেল রানা  জানান, প্রিয় লেখককে স্মরণ ও তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমরা বিশেষ প্রদর্শনীর উদ্যোগ নিয়েছি। এটি নান্দনিক নাট্য সম্প্রদায়ের অষ্টম প্রযোজনা। নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন বদরুদ্দোজা।

নাম ভূমিকায় অভিনয় করছেন আ মা মা হাসানুজ্জামান। এ ছাড়া বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন- নিলুফার ওয়াহিদ, সোহেল রানা, শাহ আলম, অভীক মজুমদার, রনি, মারুফ, মাহিন, শোভা, রাসেল, হাবিবুল্লাহ, রাবিয়া প্রমুখ।

পেইজথ্রি ডেস্ক।।

উৎসব উপলক্ষে অনেক দিন পর মঞ্চে এসেছিল ইবলিশএমন দৃশ্য দেখে মুগ্ধ না হয়ে থাকা যায়! অন্তত যিনি মঞ্চ নাটক ভালোবাসেন, এ পাড়ায় যার নিত্য আসা-যাওয়া, তিনি তো মুগ্ধ হবেনই।
একটু বাড়াবাড়ি মনে হচ্ছে কি? তাহলে শুনুন সেই দিনগুলোর কথা। প্রতি সন্ধ্যায় শিল্পকলার দুই মিলনায়তনে নাটক। সেখানে ঢোকার জন্য টিকিট কাউন্টারের সামনে মানুষের সারি। বিকেলে নাট্যশালা চত্বরের বাইরে নাচ, গান। নানা বর্ণের, নানা ভাষার শিল্পীদের ছোটাছুটি। আড্ডা, ভিড়—সব জায়গায় উৎসবের রং। বলতেই হয়, দলের ৪৫ বছর পূর্তিতে আরণ্যকের উৎসবটি যেমন সফল হয়েছে, তেমনি সত্যিকার অর্থে আন্তর্জাতিক রূপ পেয়েছে।

পেইজিথ্রি ডেস্ক।।

‘রাই-কৃষ্ণ পদাবলী’ নৃত্যনাট্যে রাধা-কৃষ্ণ চরিত্রে শিবলী ও নীপারাধা-কৃষ্ণের প্রেমকাহিনি নিয়ে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে আজ বৃহস্পতিবার রয়েছে গীতিনৃত্যনাট্য ‘রাই-কৃষ্ণ পদাবলী’। সন্ধ্যা সাতটায় জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনের এ নৃত্যনাট্যে রাধা-কৃষ্ণের চরিত্রে দেখা যাবে দেশের জনপ্রিয় নৃত্যজুটি শামীম আরা নীপা ও শিবলী মহম্মদকে।
রাধা-কৃষ্ণের লীলা নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা করেছিলেন ‘ভানু সিংহ ঠাকুরের পদাবলী’। বৃন্দাবনের ব্রজবুলি ভাষায় লেখা রবীন্দ্রনাথের এই রচনাকে বাংলায় রূপান্তর করে গীতিনৃত্যনাট্য ‘রাই-কৃষ্ণ পদাবলী’ রচনা করেন শেখ হাফিজুর রহমান।
সৃষ্টি কালচারাল সেন্টারের উদ্যোগে গতকাল বুধবার থেকে শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হয় চার দিনের নৃত্যনাট্য উৎসব। এর দ্বিতীয় দিনে আজ থাকছে এ নৃত্যনাট্য। শিবলী মহম্মদ জানান, প্রায় আড়াই বছর পর আবার মঞ্চে আসছে এ নৃত্যনাট্য। ভারত ও বাংলাদেশের দর্শকেরা ভীষণ পছন্দ করেন এটি। এ দুই তারকা শিল্পী ছাড়াও একঝাঁক নৃত্যশিল্পীকে দেখা যাবে এ নৃত্যনাট্যে। শ্রীকৃষ্ণের রথযাত্রাসহ দারুণ সব কোরিওগ্রাফি রয়েছে এতে।

পেইজিথ্রি ডেস্ক।।

দরজা লাগানো। একটু-আধটু শব্দ আসছে ভেতর থেকে। অস্পষ্ট। দরজাটা খানিক ঠেলে ঢুকলাম ঘরে। তাতে কেউ কিছু মনে করল না। চলল অভিনয়।দেখতে থাকি, দুরন্ত কিশোরী আনন্দী। সবুজ ফড়িংয়ের মতো উড়ে বেড়ায় এদিক-সেদিক। কিশোরী আনন্দীর বিয়ের সানাই বেজে ওঠে। বিয়ে হয়, তার একটি ছেলেও হয়। তবে দুরন্তপনা তার পিছু ছাড়ে না। কখনো সে চলে যায় গ্রামের যাত্রাপালায়। সাঁতরে পাড়ি দেয় গঞ্জের বড় দিঘি।
সেদিন বিকেলে মহড়াকক্ষটি হয়ে গেল দিঘি। দুটি বেগুনি রঙের কাপড় দুলছে ঢেউয়ের মতো। তার ভেতরে সখীদেরসহ নাইতে নেমেছে আনন্দী। সখীদের সঙ্গে গন্ধ সাবান নিয়ে কথা হয়। একসময় সখীরা দেখে আনন্দী সাঁতরে যাচ্ছে দূরে। সখীরা আঁতকে ওঠে। ডাকে আনন্দীকে। কিন্তু আনন্দী পাড়ি দেয় বড় সেই দিঘি। গ্রামের ঠাকুমা ভৎ৴সনা করে আনন্দীকে। ছেলের মা হওয়ার পরও এখনো তার দুরন্তপনা কাটেনি। এ কেমন মেয়ে রে বাবা! আশ্চর্য হয় গ্রামের লোকজন।