পেইজ থ্রি ডেস্ক।।

‘পঞ্চকবির কন্যা’খ্যাত কলকাতার গায়িকা ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায় তার সঙ্গীতজীবনের দুই দশক পূর্তি উপলক্ষে ২৯ মে কলকাতার আইসিসিআর-এর অবনীন্দ্রনাথ গ্যালারিতে বসেছিল দুই বাংলার গুণীদের মিলনমেলা।

সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় প্রখ্যাত অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় যখন অনুষ্ঠানটির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন তখন তার সঙ্গে ছিলেন পরিচালক গৌতম ঘোষসহ অন্য আমন্ত্রিত অতিথিরা। ফুল দিয়ে তাদের শুভেচ্ছা জানানো হয় শুরুতেই। দেশের প্রখ্যাত ডিজাইনার বিশ্বরঙ-এর ডিজাইনার ও কর্ণধার বিপ্লব সাহার ডিজাইন করা পাঞ্জাবী দিয়ে তাদের সম্মান জানানো হয়। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এবং গৌতম ঘোষের পাঞ্জাবী দুটি তাদের প্রতিকৃতি দিয়ে ডিজাইন করেছেন বিপ্লব সাহা। সঙ্গে ছিল পঞ্চকবির গানের পংতিমালা। অন্যান্য অতিথিদের জন্য করা পাঞ্জাবী এবং শাড়ি ডিজাইনেও বিপ্লব সাহা পঞ্চকবির গানের বিভিন্ন পংতি দিয়ে ডিজাইন করেছেন। যা দেখে সেখানে উপস্থিত সবাইই অবাক-বিস্ময়ে তাকিয়ে ছিলেন। তারা এত সুন্দর আর সৃষ্টিশীল ডিজাইন দেখে মুগ্ধতার কথা জানান।

কলকাতার অতিথিদের কাছে এটা নতুন হলেও, বাংলাদেশের মানুষের কাছে বিপ্লব সাহা আগেই এরকম ডিজাইন দিয়ে মুগ্ধ করেছেন। এর আগে নায়ক রাজ রাজ্জাক, নায়ক ফারুক, পরিচালক আমজাদ হোসেন, সঙ্গীতশিল্পী রুনা লায়লা-সহ অনেক বিখ্যাত ব্যাক্তিদের প্রতিকৃতি দিয়ে তিনি শাড়ি এবং পাঞ্জাবী ডিজাইন করেছিলেন।

কলকাতা থেকে বিপ্লব সাহা জানালেন- ‘ডিজাইনার হিসেবে এটা আমার জন্য পরম পাওয়া। আমার ডিজাইন করা পোশাক দিয়ে এত গুণী মানুষদের সম্মান জানিয়েছেন তারা- এ আমার এবং আমার দেশের জন্যও গর্বের ব্যাপার। এরকম ভালো কাজ করে যেতে চাই সবসময়।’

আনুষ্ঠানিকতা শেষে ঋদ্ধি গান গেয়ে শোনান। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, নবনিতা দেবসেন, গৌতম ঘোষ, রেশমি মিত্র, বিপ্লব সাহা, পুনম প্রিয়াম-সহ সবাই মুগ্ধ হয়ে তার গান উপভোগ করেন।

পেইজ থ্রি ডেস্ক।।

বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গৌরবময় উৎসব পহেলা বৈশাখকে বরণ করতে চাই নতুন পোষাক। আর “বিশ্বরঙ” দীর্ঘ ২৩ বছরের সৃষ্টিশীল ভাবনায় বাংলার ঐতিহ্যকে প্রতিনিয়ত পোশাকে তুলে ধরেছে সুনিপুন শৈলীতে, সেই ধারাবাহিকতায় এবারের বৈশাখে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক পানাম নগরীর স্থাপত্যে ব্যবহৃত বিভিন্ন নকশার অলংকরনের অনুপ্রেরণায় এবারের বাংলা নববর্ষে “বৈশাখী বিশ্বরঙ” শীর্ষক পোশাকের বর্ণিল সম্ভারের আয়োজন।

এবার “বৈশাখী বিশ্বরঙ” এর ছোটদের পোশাক গুলো শাড়ী, পাঞ্জাবী, থ্রিপিস, ফতুয়া, শার্ট, টি-শার্ট, ইত্যাদিতে তুলে ধরা হয়েছে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক পানাম নগরীর স্থাপত্যে ব্যবহৃত বিভিন্ন নকশার অনুষঙ্গকে সেই সাথে গরমের কথা মাথায় রেখে ব্যবহার করা হয়েছে সুতি ও খাদি কাপড়। “বৈশাখী বিশ্বরঙ” এর পোশাক গুলোতে উৎসবের আমেজ ফুটিয়ে তুলতে উজ্জল রং এর ব্যবহার করা হয়েছে, পাশাপাশী কাজের মাধ্যম হিসাবে এসেছে চুনরি, টাই-ডাই, ব্লক, বাটিক, এ্যাপলিক, কাটওর্য়াক, স্ক্রিন প্রিন্ট ইত্যাদি।

অনলাইনে http://www.bishworang.comওয়েবসাইটে। যে কেউ ঘরে বসে এ সকল সামগ্রী ০১৮১৯২৫৭৭৬৮ নম্বরে ফোন করেও কেনাকাটা করতে পারবে।

পেইজ থ্রি ডেস্ক।।

রাজধানীর বনানীর ১১ নম্বর সড়কে, ই ব্লকের ৬৭/ডি হাউজে যাত্রা শুরু করেছে ‘সুজানাস ক্লোজেট’। ফ্যাশন হাউজটির মালিক মডেল, অভিনেত্রী সুজানা জাফর। গেল শুক্রবার এই ফ্যাশন হাউজটির উদ্বোধন করা হয়।

সেই উপলক্ষে সেখানে বসেছিল তারার মেলা। ফ্যাশন হাউজটি উদ্বোধন করতে হাজির হয়েছিলেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস, উপস্থাপিকা শারমিন লাকী, কণ্ঠশিল্পী রিজিয়া পারভিন, আঁখি আলমগীর, নৃত্যশিল্পী হৃদি শেখ প্রমুখ।

নতুন এই পরিচয় নিয়ে সুজানা বলেন, আজ শুধুমাত্র উদ্বোধনের আনুষ্ঠানিকতা হলো। শনিবার মিলাদের আয়োজন রয়েছে। তিনি বলেন, প্রথমদিনে যে টাকা বিক্রি হবে তার লভ্যাংশ যাবে চ্যারিটি ফান্ডে। আমি সব সময় চেয়েছি আমার নিজস্ব ফ্যাশন ভাবনা আমার ভক্তদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে। আমার দীর্ঘ দিনের সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।

 

পেইজ থ্রি ডেস্ক।। 

বর্নাঢ্য আয়োজনে পৃথক পৃথকভাবে জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস উদযাপিত হয়েছে। গত ৩ এপ্রিল বিএফডিসিতে এমনটাই চোখে পড়েছে। এফডিসি কর্তৃপক্ষ প্রশাসন ভবনের সামনে , অন্যদিকে ডিজিটাল সাউন্ড কমপ্লেক্সের সামনে চলচ্চিত্র পরিবার মঞ্চ তৈরি করেছেন। বিকাল ৫টায় এফডিসির চলচ্চিত্র দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। সন্ধ্যার পর চলচ্চিত্র পরিবারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।

বিভাজনে জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস উদযাপিত হলেও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের একটি পর্বে  ফ্যাশন হাউজ বিশ্বরঙের পরিবেশনা মুগ্ধ করছে উপস্থিত দর্শকদের। প্রথমে প্রয়াত নায়করাজ রাজ্জাকের স্মরণে কয়েকটি গানের সঙ্গে মডেলিংয়ে অংশ নিয়েছেন শিপন, শানারৈ দেবী শানু, নওশাবাসহ আরো অনেকে।

এরপর বিপ্লব সাহার কোরিওগ্রাফীতে ঐতিহ্যের বাংলা সিনেমা শিরোনামে চলচ্চিত্রের পোস্টার দিয়ে তৈরি বিশ্বরঙের পোশাকে অংশ নেন তারকারা। বিশেষ করে ফেরদৌস ও ইমনের পোষাকগুলো সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। এছাড়া শাড়ি , পাঞ্জাবি,  থ্রি পিছ ও টি শার্টের ক্যাটওয়াক আমন্ত্রিত অতিথিদের মুগ্ধ করেছে।

উল্লেখ্য, গেল বছর বিপ্লব সাহা সিনেমার ছবি ও পোস্টার দিয়ে শাড়ি,পাঞ্জাবি ও ব্লেজারের ডিজাইন বেশ আলোচনা তৈরি করেছিল।

পেইজ থ্রি ডেস্ক।।

দেশের জনপ্রিয় ফ্যাশন হাউজ বিশ্ব রঙ এবারের বৈশাখকে আরো বেশি রাঙাতে নিয়েছে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও তে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী পানাম নগরে অবস্থিত পানাম সিটির ভবনের বিভিন্ন নকশায় প্রতিষ্ঠানটি এনেছে বৈশাখী পোশাকের ডিজাইন।

সেই পোশাকে তারকাদের সাথে বৈশাখী আয়োজন পালনও করেছে পানাম নগরে। এতে অংশ নিয়েছেন জনপ্রিয় সব তারকারা। ছিলেন দেশের শীর্ষ মডেল সাদিয়া ইসলাম মৌ, লাক্সতারকা শানু, ভিট মডেল নোমিরা, মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশের মিতু, চিত্রনায়ক শিপন মিত্র, সাঞ্জু জন ছাড়াও দেশের পরচিতি সব র‍্যাম্প ও বিলবোর্ডের মডেলরা।

তাদের অংশগ্রহণে নির্মাণ করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন বৈশাখী পোশাকের একটি ভিডিও। বিপ্লব সাহার কনসেপ্টে এটি বানিয়েছেন চন্দন রয় চৌধুরী। প্রতিষ্ঠানটি কর্ণধার ও ফ্যাশন ডিজাইনার বিপ্লব সাহা পানাম সিটির নশকার অববয়ে প্রথমবারের মতো এমন উদ্যোগ নিয়েছেন।

বিপ্লব সাহা জানিয়েছেন, বিশ্বরঙ দীর্ঘ ২৩ বছরের সৃষ্টিশীল ভাবনায় বাংলার ঐতিহ্যকে প্রতিনিয়ত পোশাকে তুলে ধরেছে সুনিপুন শৈলীতে। সেই ধারাবাহিকতায় এবারের বৈশাখে দেশের ঐতিহাসিক পানাম নগরীর স্থাপত্যে ব্যবহৃত বিভিন্ন নকশার অলংকরনের অনুপ্রেরণায় “বৈশাখী বিশ্বরঙ” শীর্ষক পোশাকের বর্ণিল সম্ভারের আয়োজন করেছি। বিশ্ব রঙের দেশের ২২ টি শো রুমে পোশাকগুলো পাওয়া যাবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।

পানাম নগরে তারকাদের নিয়ে বিশ্ব রঙের বৈশাখী আয়োজন :

বৈশাখী বিশ্বরঙ ১৪২৫

“বিশ্বরঙ” দীর্ঘ ২৩ বছরের সৃষ্টিশীল ভাবনায় বাংলার ঐতিহ্যকে প্রতিনিয়ত পোশাকে তুলে ধরেছে সুনিপুন শৈলীতে, সেই ধারাবাহিকতায় এবারের বৈশাখে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক পানাম নগরীর স্থাপত্যে ব্যবহৃত বিভিন্ন নকশার অলংকরনের অনুপ্রেরণায় এবারের বাংলা নববর্ষে “বৈশাখী বিশ্বরঙ” শীর্ষক পোশাকের বর্ণিল সম্ভারের আয়োজন। বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গৌরবময় উৎসব উদযাপন ও প্রদর্শনী চলবে সকল শো-রুমে ১৫ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল ২০১৮ ইং পর্যন্ত।SHOP NOW: https://goo.gl/a1jtBjHelp Line : 01819257768Event : Boishakhi BishwoRangConcept, Story, Styling Choreography : Biplob SahaDirector : Chandan Roy ChowdhuryCast: Sadia Islam, Sanj John,Shanarei Devi Shanu, Shipan Mitra, Tashdik Nomira Ahmmed, Shuvo Chowdhury , Arun Joly Thia, Aryan Faruk, Efa Tabassum, Aahil Aahil , Zahara Mitu, Amit Roy, ChadniGraphic: Bishwo Rang Design StudioMakeover: Zaara's Beauty Lounge

Posted by Bishwo Rang Fan Club on Thursday, 29 March 2018

লাইফস্টাইল ডেস্ক।।

যিনি দেখেন না তিনিই বোঝেন এই পৃথিবীর কী মর্ম। চোখ মানুষের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের তুলনায় একটু বেশি স্পর্শকাতর। অফিসে কিংবা বাড়ি ফিরেও কম্পিউটারের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা থাকেন৷ তারপর হাতের মুঠোয় ফোনটার দিকে চোখ তো রয়েছেই৷ এভাবেই ধীরে ধীরে আপনার চোখের অবস্থা খারাপ হচ্ছে৷ দুর্বল হয়ে পড়ছে দৃষ্টিশক্তি৷ কিন্তু জানেন কি? কয়েকটা সহজ নিয়ম মেনে চললে, চোখকে বহুদিন ভাল রাখা সম্ভব।

১) সকালে উঠেই অভ্যাস করুন সবুজের দিকে তাকানো৷ শহরে গাছের সংখ্যা এমনিতেই কম৷ তাই বাড়ির টবের গাছের দিকেই কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকতে পারেন৷

২) ঘরের একদিকের দেওয়ালের রং রাখুন হালকা সবুজ৷ কিংবা জানলার পর্দা সবুজ রঙের রাখতে পারেন৷

৩) অফিসের কম্পিউটার বা ল্যাপটপের স্ত্রিন সেভার রাখুন সবুজ রঙের৷ কাজ করার মাঝে মাঝে সেটা দেখে নিন৷

৪) একটানা চোখ খুলে কাজ না করাই ভাল৷ কাজের মাঝে অল্প সময়ের জন্য হলেও চোখ বন্ধ করুন৷

৫) চোখ ভাল রাখতে মাঝে মধ্যেই চোখের ব্যায়াম করুন। একবার ঘড়ির কাঁটার দিকে এবং আরেকবার ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে চোখের মণি ঘোরান ৷।

লাইফস্টাইল ডেস্ক।।

যিনি দেখেন না তিনিই বোঝেন এই পৃথিবীর কী মর্ম। চোখ মানুষের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের তুলনায় একটু বেশি স্পর্শকাতর। অফিসে কিংবা বাড়ি ফিরেও কম্পিউটারের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা থাকেন৷ তারপর হাতের মুঠোয় ফোনটার দিকে চোখ তো রয়েছেই৷ এভাবেই ধীরে ধীরে আপনার চোখের অবস্থা খারাপ হচ্ছে৷ দুর্বল হয়ে পড়ছে দৃষ্টিশক্তি৷ কিন্তু জানেন কি? কয়েকটা সহজ নিয়ম মেনে চললে, চোখকে বহুদিন ভাল রাখা সম্ভব।

১) সকালে উঠেই অভ্যাস করুন সবুজের দিকে তাকানো৷ শহরে গাছের সংখ্যা এমনিতেই কম৷ তাই বাড়ির টবের গাছের দিকেই কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকতে পারেন৷

২) ঘরের একদিকের দেওয়ালের রং রাখুন হালকা সবুজ৷ কিংবা জানলার পর্দা সবুজ রঙের রাখতে পারেন৷

৩) অফিসের কম্পিউটার বা ল্যাপটপের স্ত্রিন সেভার রাখুন সবুজ রঙের৷ কাজ করার মাঝে মাঝে সেটা দেখে নিন৷

৪) একটানা চোখ খুলে কাজ না করাই ভাল৷ কাজের মাঝে অল্প সময়ের জন্য হলেও চোখ বন্ধ করুন৷

৫) চোখ ভাল রাখতে মাঝে মধ্যেই চোখের ব্যায়াম করুন৷ একবার ঘড়ির কাঁটার দিকে এবং আরেকবার ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে চোখের মণি ঘোরান৷

পেইজ থ্রি ডেস্ক।।

শীতের আমেজ মেখেই বেশ আছে বাঙালি। ফুলকপি, বাঁধাকপি, গাজর, শালগম, মূলো থেকে পেঁয়াজকলি সবজি খাওয়া স্বাস্থ্যকর হলেও রসেবসে থাকলে ওজন তো বাড়বেই। তাহলে উপায়?
ওজন কমাতে শীতে বেশি করে আপেল, আঙুর এবং কমলালেবু খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন ডায়েটিশিয়নরা। ফিটনেস ধরে রাখতে এই তিন ফলের জুড়ি নেই বলে দাবি তাঁদের। এক নজরে দেখে নিন কী করে ওজন কমায় আপেল, আঙুল ও কমলালেবু।

আপেল
গবেষণায় দেখা গিয়েছে, আপেল খেলে ওজন কমে দ্রুত। দিনে তিনটি আপলে খেতে পারলে আপনিও হতে পারেন তন্বী। আপেলে থাকা ফাইবারই ওজন কমিয়ে আপনাকে ফিট করে তুলবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই কোনও জাদু নয়, প্রতিদিন ৩টে করে আপেল খাওয়া এবার অভ্যেস করেই ফেলুন।

আঙুর
আঙুরেও কমতে পারে আপনার ওজন। আঙুরে থাকা ফাইবার যেমন শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে দেয়, তেমনি কমায় রক্তে অতিরিক্ত শর্করা। ১০০ গ্রাম আঙুরে মাত্র ৮০ ক্যালরি ফ্যাট থাকে। তাই পেট ভরিয়ে ওজন কমাতে বেশি করে আঙুর খান।

কমলালেবু
আঙুর এবং আপেলের মতোই অতিরিক্ত ওজন ঝরাতে পারে কমলা লেবু। শীতের সকালে রোদ পোহাতে পোহাতে যদি ভিটামিন সি-এ ভর্তি কমলালেবু খেতে শুরু করেন, কয়েক দিনের মধ্যেই কমতে শুরু করবে আপনার ওজন। কমলা লেবুতে থাকা ফাইবার এবং জল আপনার ওজন কমিয়ে দিতে সাহায্য করে। আপনি যদি একটি কমলালেবুতে মাত্র ৮৬ ক্যালরি শক্তি থাকে। তাই আর দেরি নয়, আপেল, আঙুর এবং কমলা লেবু দিয়েই শুরু করে দিন আপনার ওজন ঝরানোর পালা

পেইজ থ্রি ডেস্ক।।

এমন কিছু খাবার আছে যা নিয়ম করে খেলে আপনার যৌবন থাকবে অটুট।

আসুন জেনে নেই সেসব খাবারের কিছু তথ্য:

ডিম : ডিম সিদ্ধ হোক কিংবা ভাজি, সব ভাবেই ডিম শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার। ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৫ ও বি-৬ আছে যা শরীরের হরমোনের কার্যক্রম ঠিক রাখে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের সকালের নাস্তায় একটি করে ডিম রাখুন। এতে আপনার শরীর শক্তি পাবে এবং যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

মধু : মধুর রয়েছে অসংখ্য উপকারিতা। সকালে খালি পেটে জিহ্বা দ্বারা মধু চেটে খেলে কফ দূর হয়, পাকস্থলী পরিস্কার হয়, দেহের অতিরিক্ত দূষিত পদার্থ বের হয়, গ্রন্থ খুলে দেয়, পাকস্থলী স্বাভাবিক হয়ে যায়, মস্তিস্ক শক্তি লাভ করে, স্বাভাবিক তাপে শক্তি আসে, যতি শক্তি বৃদ্ধি হয়, মূত্রথলির পাথর দূর করে, প্রস্রাব স্বাভাবিক হয়, গ্যাস নির্গত হয় ও ক্ষুধা বাড়ায়। প্যারালাইসিসের জন্যও মধু উপকারী। মধু হাজারো রকম ফুল ও দানার নির্যাস। দুনিয়ার সকল গবেষকগণ একত্রিত হয়ে এমন নির্যাস প্রস্তুত করতে চাইলেও কখনো বানাতে পারবে কিনা এ বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

দুধ : শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি এবং যৌবন ধরে রাখতে দুধের ভূমিকা অতুলনীয়। বিশেষ করে ছাগলের দুধ পুরুষের শারীরিক শক্তি বৃদ্ধিতে অসাধারণ ভুমিকা রাখে। এর রহস্য হলো এই যে, দুধ রতিশক্তি সৃষ্টি করে দেহের শুস্কতা দূর করে এবং দ্রুত হজম হয়ে খাদ্যের স্থলাভিষিক্ত হয়ে যায়, বীর্য সৃষ্টি করে, চেহারায় লাল বর্ণ তৈরী করে, দেহের অপ্রয়োজনীয় দূষিত পদার্থ বের করে দেয় এবং মস্তিস্ক শক্তিশালী করে।
বাদাম ও বিভিন্ন বীজ : কুমড়ার বীজ, সূর্যমূখীর বীজ, চিনা বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম ইত্যাদিতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট আছে এবং এগুলো শরীরে উপকারী কোলেস্টেরল তৈরী করে। সেক্স হরমোনগুলো ঠিক মতো কাজ করার জন্য এই কোলেস্টেরল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাই প্রতিদিন অল্প করে হলেও বাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে আপনার শারীরিক স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

চিনি ছাড়া চা : প্রতিদিন দুধ-চিনি ছাড়া চা পান করলে শরীরে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। চা ব্রেইন কে সচল করে, রক্ত চলাচল বাড়ায় ও স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। প্রতিদিন অন্তত তিন থেকে ৫ কাপ পর্যন্ত চিনি ছাড়া সবুজ চা বা রঙ চা খেলে শারীরিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং শরীরের ওজন কিছুটা হলেও কমে যায়।

রঙিন ফল : শারীরিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রঙিন ফলমূল রাখুন। আঙ্গুর, কলা, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী। ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাসের মেডিকেল টিমের গবেষণা অনুযায়ী একজন পুরুষের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অন্তত ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকলে তার স্পার্মের কোয়ালিটি উন্নত হয়। আবার টেক্সাসের A&M ইউনিভার্সিটির মতে তরমুজ শরীরে শারীরিক উদ্দীপনা বৃদ্ধি করে। তারা যৌন উদ্দীপক ওষুধ ভায়াগ্রার সাথে তরমুজের তুলনা করেছেন।

রসুন : এতে রোগ নিরাময় হয়। রসুনে অনেক উপকারিতা রয়েছে। রসুন ফোড়া ভালো করে, ঋতুস্রাব চালু করে, প্রস্রাব স্বাভাবিক করে, পাকস্থলী থেকে গ্যাস নির্গত করে, নিস্তেজ লোকদের মধ্যে শারীরিক ক্ষমতা সৃষ্টি করে, বীর্য বৃদ্ধি করে, গরম স্বভাব লোকদের বীর্য গাঢ় করে, পাকস্থলী ও গ্রন্থর ব্যাথার উপকার সাধন এ্যাজমা এবং কাঁপুনি রোগেও উপকার সাধন করে। তবে গর্ভবতী মহিলাদের জন্য অধিক রসুন ব্যবহার ক্ষতিকর। এই রসুনকে আবে হায়াত বলেও আখ্যা দেয়া হয়।

তৈলাক্ত মাছ : তৈলাক্ত মাছে রয়েছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড যা সুস্থ শারীরিক জীবনের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সামুদ্রিক মাছেও প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড থাকে। ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড DHA O EPA শরীরে ডোপামিন বাড়িয়ে দেয় এবং মস্তিষ্কে উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলে। তৈলাক্ত ও সামুদ্রিক মাছ খেলে শরীরের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায় এবং গ্রোথ হরমোনের নিঃসরন হয়। ফলে শারীরিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

পালং শাক ও অন্যান্য সবজি : পালং শাকে আছে প্রচুর পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম। ম্যাগনেসিয়াম শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে। জাপানের গবেষকদের মতে শরীরে রক্ত চলাচল বাড়লে শারীরিক উদ্দীপনাও বাড়ে। পালং শাক ও অন্যান্য বিভিন্ন রকম শাক, ব্রকলি, লেটুস, ফুলকপি, বাঁধাকপি এগুলোতে রয়েছে ফলেট, ভিটামিন বি সহ অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এগুলো সুস্থ শারীরিক জীবনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কিছু উপাদান।

পেইজিথ্রি ডেস্ক।।

মানুষ নয়, রোবট সরাসরি ভোক্তাদের খাবার সরবরাহ করবে। অবাক হলেও রেস্টুরেন্ট শিল্পে এটিই দেশের সর্বপ্রথম আধুনিক রোবট প্রযুক্তির ব্যবহার।

মিরপুর রোডে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও আসাদ গেটের কাছে প্রধান সড়কের ফ্যামিলি ওয়ার্ল্ড টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় এই রেস্টুরেন্টের অবস্থান। এতে খাবার পরিবেশন করবে দুটি রোবট। চীনে তৈরি এই রোবট দুটির একটি নারী ও অন্যটি পুরুষের আদলে গড়া। যদিও তাদের নামই এক, ইয়োইদং। মানে চলমান সুখ বা মুভিং হ্যাপিনেস।

বুধবার এর উদ্বোধন হয়।  রেস্টুরেন্টটির নিজস্ব অডিটরিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে এর যাত্রা শুরু উপলক্ষে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ এবং রোবট প্রস্তুতকারি সংস্থা এইচ জেড এক্স ইলেকট্রনিক টেকনোলজি কোম্পানি যৌথ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে রেস্টুরেন্টের পরিচালক রাহিন রাইয়ান নবী, এইচ জেড এক্স ইলেকট্রনিক টেকনোলজি কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ম্যাক্স সোয়াজ, কাস্টমার রিলেশন ম্যানেজার তানভিরুল হক উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে আয়োজকরা বলেন, বাংলাদেশে এটিই এ ধরণের প্রথম রেস্টুরেন্ট, যেখানে রোবটের মাধ্যমে কাস্টমারদের খাবার সরবরাহ করা হবে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন মাইলফলক এবং নতুন দিগন্তের সূচনা করল। বাংলাদেশ ও চীন যৌথভাবে এ রেস্টুরেন্ট পরিচালনা করবে।

শিশুদের বিনোদন ও খাবারের বিষয়টি চিন্তা করেই এ ধরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

রেস্টুরেন্টটির পরিচালক রাহিন রাইয়ান নবী বলেন, অনেক সময় দেখা যায় যে ওয়েটাররা কয়েক ঘণ্টা কাজ করার পর ক্লান্ত হয়ে পড়েন। সেই ক্লান্ত অবস্থায়ই তারা কাস্টমারদের খাবার সরবরাহ করতে বাধ্য হন। কিন্তু রোবট কখনোই ক্লান্ত হবে না। তাই যখন রোবট খাবার সরবরাহ করবে, তখন এটি কাস্টমারকে আরো ভালো সেবা দিতে পারবে। সেটি সব বয়সের মানুষের জন্য অত্যন্ত রোমাঞ্চকর পরিবেশও তৈরি করবে। বিশেষ করে শিশুরা সবচেয়ে বেশি রোমাঞ্চিত হবে।

রাহিন রাইয়ান আরো বলেন, একজন ওয়েটারের পক্ষে সব সময় খাবারের গুণগতমান নিশ্চিত করা ও জীবাণুমুক্ত থাকা সম্ভব হয় না। তাই আমরা রোবট দিয়ে এসব কাজ করাচ্ছি। রেস্টুরেন্টটিতে প্রাথমিকভাবে দু’টি রোবট কাজ শুরু করবে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, খাবারের দাম সাধ্যের মধ্যেই রাখা হবে যাতে সব শ্রেণির মানুষই এখানে খেতে পারেন। শিশুদের জন্য আমাদের বিশেষ কিছু খাবার থাকছে। খাবারের মান ও পারিবারিক পরিবেশ অবশ্যই বজায় রাখা হবে। যাতে করে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যে কেউ এখানে খেতে আসতে পারেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই রোবটের কার্যক্রম দেখেন। তাদের জন্য এটি ছিল একটি সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত এইচ জেড এক্স ইলেকট্রনিক টেকনোলজি কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ম্যাক্স সোয়াজ বাংলাদেশে রোবট ডিজিটালাইজেশনের (আধুনিকায়ন) জন্য যে কোনো সহযোগিতা করার জন্য সব সময় প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন।